কঙ্গোতে বিদ্রোহীদের হামলায় ৫০ বেসামরিক নিহত

প্রকাশিত: ০২-১২-২০২২ ১২:৪৩

আপডেট: ০২-১২-২০২২ ১২:৪৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্য আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ৫০ বেসামরিক নাগরিককে হত্যা করেছে একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। চলতি সপ্তাহে আফ্রিকার এই দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় কিশিশে শহরে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে বলে শুক্রবারে (দোসরা ডিসেম্বর) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (পহেলা ডিসেম্বর) দেশটির এম২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী ও তাদের সহযোগীদের অভিযুক্ত করেছে কঙ্গোর সশস্ত্র বাহিনী। তবে এই হত্যাকান্ডের অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং জাতিগত টুটসি গোষ্ঠীর নেতৃত্বাধীন মিলিশিয়া বাহিনী এম২৩ মধ্য আফ্রিকার এই দেশটির পূর্বাঞ্চলে কয়েক মাস ধরে লড়াই চলছিল। ফলে ওই এলাকাটি বেশ অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং সেখানে হওয়া বিভিন্ন হামলার জন্য উভয় পক্ষই একে অপরকে অভিযুক্ত করেছে।

এম২৩ মুভমেন্ট গ্রুপের রাজনৈতিক মুখপাত্র লরেন্স কানিউকা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘কিশিশেতে বেসামরিক মানুষের ওপর হামলা নিয়ে এম২৩ আন্দোলনের বিষয়ে যে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান করছি আমরা।’

তিনি আরও জানান, ‘এম২৩ আন্তর্জাতিক এবং জাতীয় সম্প্রদায়কে এটিই মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আমরা কখনোই বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করিনি।’

জাতিসংঘ এবং মার্কিন এক কূটনীতিকও বলেছেন, ’তাদের কাছে উত্তর কিভু প্রদেশের কিশিশে শহরে বেসামরিক হত্যাকাণ্ডের তথ্য রয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছু জানাননি তারা। তারা দু’জনেই এ বিষয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মহাসচিবের একজন মুখপাত্র জানান, ‘কিশিশে অঞ্চলে এম২৩ এবং স্থানীয় মিলিশিয়াদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট পেয়েছে জাতিসংঘ। যার মধ্যে প্রচুর পরিমাণে বেসামরিক হতাহতের ঘটনা রয়েছে।

গত সেপ্টেম্বরে এক প্রতিবেদনে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা জানিয়েছিল, ‘এম২৩ বিদ্রোহীরা বছরের পর বছর অচল থাকার পর ২০২১ সালের শেষের দিকে আবারও যুদ্ধ শুরু করে। তখন থেকে তারা উগান্ডা সীমান্তের কৌশলগত শহর বুনাগানাসহ উত্তর কিভুজুড়ে বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে নেয়।’

Amirul/sharif