পোশাক রপ্তানিতে ১শ' বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্য

প্রকাশিত: ০৫-১০-২০২২ ১৪:৩৯

আপডেট: ০৬-১০-২০২২ ১০:৩১

তানজিলা নিঝুম: ২০৩০ সালের মধ্যে পোশাক রপ্তানি আয় ১শ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য এ খাতের ব্যবসায়ীদের। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে চীনের রপ্তানি ধীরে ধীরে কমছে। এই বাজার থেকেই বাংলাদেশ ৫৪ বিলিয়ন ডলার আয় বাড়াতে পারে বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। তবে রপ্তানি আয় বাড়াতে পোশাক কারখানাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস-বিদ্যুত সরবরাহ নিশ্চিতের তাগিদ দিলেন ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদরা।

দেশের রাপ্তানি আয়ের ৮২ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। ইপিবি’র তথ্যমতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি আয় হয়েছে প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলার। এরমধ্যে ইউরোপ- আমেরিকার বাজারে পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল প্রায় ৩৫ বিলিয়ন ডলার। ইউরোপে রপ্তানির পরিমাণ ২৬ বিলিয়ন ডলার। আর বাকি ৯ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে।

২০১০ সালে ইউরোপে পোশাকের বাজারে চীনের অংশ ছিল ৪৫ শতাংশ, যা ২০২১ সালে ৩০ শতাংশে নেমেছে। একই সময়ে এসব বাজারে বাংলাদেশের অংশ ১০ শতাংশ থেকে বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। আট বছরে ইউরোপ-আমেরিকায় পোশাক রপ্তানি ৫৪ বিলিয়ন ডলার বাড়ানো সম্ভব। ইউরোপে বছরে গড়ে ১২ শতাংশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ১৫ শতাংশ হারে রপ্তানি বাড়াতে হবে।

পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্য থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন বিজিএমইএ সহ-সভাপতি শহিদউল্লাহ আজিমসহ এ খাতের ব্যবসায়ীরা। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পাওয়া নিয়ে চিন্তিত তারা। বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানো, পণ্যের বহুমুখীকরণ, ক্রেতাদের কাছে ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে পারলেই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদ হেলাল উদ্দিন।

ইউরোপের পোশাক আমদানির পরিমাণ ২০০ বিলিয়ন ডলার। যা গত ১০ বছরে গড়ে ২ দশমিক আট-দুই শতাংশ হারে বেড়েছে। আগামী আট বছরে তিন শতাংশ হারে বাড়লে আকার হবে ২৬০ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বাংলাদেশের শেয়ার হতে পারে ৬৫ বিলিয়ন ডলার।

Tanzila/sharif