বুড়িগঙ্গায় রেলসেতু নির্মাণ প্রায় শেষ

প্রকাশিত: ০৪-১০-২০২২ ১৪:৪৪

আপডেট: ০৪-১০-২০২২ ১৫:২৮

তারেক শিকদার: ঢাকা থেকে রেলপথে পদ্মাসেতুকে যুক্ত করতে বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর নির্মিত হচ্ছে রেলসেতু। এরইমধ্যে দৃশ্যমান হয়েছে এই সেতু। এটি চালু হলে পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঢাকা থেকে সরাসরি ট্রেন যাবে যশোর। ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণ কাজ এগিয়েছে ৬৭ শতাংশ। 

বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর দিয়ে ট্রেন যাবে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোরে। এই রেল নেটওয়ার্ক স্থাপনে বুড়িঙ্গার ওপর নির্মিত হচ্ছে রেল সেতু। ৪শ মিটারের বেশি দৈর্ঘ্যরে এই সেতু যুক্ত করেছে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লাকে। সেতুর ৪টি স্প্যানের মধ্যে ৩টি বসানো হয়েছে। বাকি স্প্যানটি বসানো হবে নভেম্বরে। 

ঢাকা-যশোর রেললাইন নির্মাণ প্রকল্পের অধীনে নির্মিত হচ্ছে এই সেতু। ঢাকার জুরাইন থেকে বুড়িগঙ্গা হয়ে ধলেশ্বরী নদী পর্যন্ত হচ্ছে উড়াল রেলপথ। এই অংশের দৈর্ঘ্য ১৭ কিলোমিটার। বুড়িগঙ্গায় নৌযান চলাচল যাতে নির্বিঘ্ন থাকে সেজন্য পানি থেকে ২০ মিটার উচ্চতায় নির্মিত হচ্ছে রেল সেতু। 

ঢাকা-মাওয়া রেল প্রকল্পের ব্রিজ ও ভায়াডাক্ট ইনচার্জ আমিনুল করিম বলেন, ধলেশ্বরী রেল সেতু ঢাকা ও মুন্সিগঞ্জকে সংযোগ করবে। এই সেতুর ৫টি স্প্যানের মধ্যে ২টি বসানো হয়েছে। বাকিগুলো ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হবে। একই সঙ্গে ঢাকা মাওয়া রেলপথ নির্মাণ কাজও এগিয়ে চলছে।

এই প্রকল্পের কাজ শেষ করে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চালানোর আশা রেল কর্তৃপক্ষের। বুড়িগঙ্গা নদীর ওপর ৪০০ মিটারের বেশি দৈর্ঘ্যের এই রেল সেতু নির্মাণ হলে ঢাকা থেকে ট্রেনে চড়ে যাওয়া যাবে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে। এর ফলে দেশের রেল যোগাযোগের আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

TH/sharif