‘নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আ'লীগের ভরাডুবি হবে’

প্রকাশিত: ৩০-০৯-২০২২ ২০:১৭

আপডেট: ৩০-০৯-২০২২ ২১:২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভোটে ভরাডুবির ভয়েই সরকার নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ ব্যবস্থার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার (৩০শে সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রয়াত নেতা আ স ম হান্নান শাহ’র মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গাজীপুরের কাপাসিয়ায় আয়োজিত আলোচনাসভায় যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেছেন, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বুঝতে পেরেছে নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবেন না। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে তাদের এত ভয়। আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগ ৩০টির বেশি আসন পাবে না।

তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া এ দেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে দেওয়া হবে না। কারণ, দেশের মানুষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতেই স্বাধীনভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে তাদের গুন্ডা বাহিনী অথবা পুলিশ বাহিনী দিয়ে জনগণকে ভোট দিতে বাধা দিয়েছে। অথবা আগের রাতেই ভোট দিয়ে জনগণের সঙ্গে প্রহসন করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা এ দেশটি কারোর দয়ায় পাইনি। মুক্তিযুদ্ধ করে দেশকে আমরা স্বাধীন করেছি আওয়ামী লুটেরা বাহিনীর দ্বারা দেশটা লুটপাটের জন্য নয়। আজ সারা বিশ্বের মানুষ জানে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, এখানে কোনো গণতন্ত্র নেই। এ দেশের মানুষের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস, চাল, ডাল, তেল, সারসহ যাবতীয় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিএনপি আন্দোলন শুরু করায় ইতোমধ্যে যুবদল ও ছাত্রদলের তিনজন কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু বর্তমান অবৈধ সরকার আমাদের আন্দোলন থামাতে পারেনি। 

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনের আর ডাক দেওয়া হবে না, যে আন্দোলন শুরু হয়ে গেছে তাই চলমান থাকবে। দেশে আর লুটপাট ও দুর্নীতি চলবে না, জনগণ জেগে উঠতে শুরু করেছে, দয়া করে বিদায় হও। অবিলম্বে পদত্যাগ করে ও সংসদ বিলুপ্ত করে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দাও।’

 

MNU/sat