নাটোরে পদ্মার চরে সবুজের সমারোহ

প্রকাশিত: ২৮-০৯-২০২২ ০৮:৪৪

আপডেট: ২৮-০৯-২০২২ ০৮:৪৪

নাটোর সংবাদদাতা: নাটোরে পদ্মার বিস্তীর্ণ চরে এখন সবুজের সমারোহ। মৌসুমি ফসলের সাথে চরে গড়ে উঠছে মাল্টা ও পেয়ারার বাগান। সাথে শাকসবজিও উৎপাদন করছেন কৃষকরা। সেখানে বিভিন্ন ফসল ফলিয়ে আবারও ঘুরে দাঁড়াতে চাইছেন নদীভাঙনের শিকার হওয়া মানুষগুলো। কীটনাশক ছাড়াই ফসল ও ফল উৎপাদন করায় এববের বাড়তি চাহিদা রয়েছে বাজারে। এক্ষেত্রে প্রণোদনাসহ নানা প্রযুক্তিগত সহায়তা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। 

বৃহত্তর রাজশাহীতে পদ্মা নদী ও সাধারণ মানুষের জীবন-জীবিকা যেন একই সুতোয় গাঁথা। একসময় এই নদীকে ঘিরে মানুষের ব্যবসা বানিজ্য সবকিছু নিয়ন্ত্রিত হতো। কিন্তু এখন ছোট বড় অনেক চর জেগে উঠেছে পদ্মার বুকে। স্থানীয়রা এসব ধুধু চরকে গড়ে তুলেছেন চাষাবাদের ক্ষেত্র হিসেবে। 

নাটোরের লালপুরে পদ্মায় জেগে উঠা বালুচরে এখন সবুজের সমারোহ। কয়েক বছর আগেও পদ্মার চরগুলোতে শুধু ধান চাষ হলেও এখন সেখানে গড়ে উঠেছে পেয়ারা, মাল্টা, বরই, কলা ও বিভিন্ন ধরনের সবজির বাগান। কীটনাশকের ব্যবহার না করে নিরাপদ ভাবেই এসব আবদ করছেন চাষীরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানালেন, প্রায় ৩ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকায় নানা ফল ও ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষকদের মাঠ পর্যায়ের পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান করছে কৃষি বিভাগ। কীটনাশকমুক্ত চাষাবাদে সকল কৃষকদের যুক্ত করা গেলে, উৎপাদিত ফসল দিয়ে স্থানীয় চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা যাবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। 

kanij/sharif