হুমকির মুখে ঝালকাঠির লবণ শিল্প

প্রকাশিত: ২৮-০৯-২০২২ ০৮:৩৬

আপডেট: ২৮-০৯-২০২২ ০৯:০৭

ঝালকাঠি সংবাদদাতা: নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে ঝালকাঠির লবণ শিল্প টিকে থাকলেও ক্রমশঃ জৌলুস হারাচ্ছে এই শিল্প। মিলগুলোর আধুনিকায়ন না হওয়া, গ্যাসের অভাব ও ঋণ না পাওয়ায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে একের পর এক কারখানা। বিপাকে পড়েছেন, লবন  শিল্পের সঙ্গে জড়িতরা। জেলার লবন শিল্পের ঐতিহ্য ধরে রাখতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা চেয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এ ব্যাপারে আশ্বাসও দিয়েছেন বিসিক কর্তৃপক্ষ। 

স্বাধীনতার পরপরই ঝালকাঠিতে লবন শিল্পের প্রসার ঘটতে থাকে। শহরের বাসন্ডা নদীর দুই তীরে পর্যায়ক্রমে গড়ে ওঠে ১৩টি কারখানা। সনাতন পদ্ধতি ‘যাতা প্রক্রিয়ায়’ এখানে লবন তৈরি হয়। পরে দেশে আধুনিক ভ্যাকুয়াম লবণ মিল চালু হলে, তার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ঝালকাঠিতে। প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে এখানকার সনাতন পদ্ধতিতে পরিচালিত মিলগুলো। একে একে বন্ধ হয়ে যায় ৭টি কারখানা।

বর্তমানে চালু রয়েছে ৮টি কারখানা। যেখানে কর্মরত প্রায় ৪শ’ শ্রমিক। গ্যাসের অভাবে চালু করা যাচ্ছেনা আধুনিক পদ্ধতির লবণ কারখানা। লোকসান মাথায় নিয়ে টিকে থাকা কারখানাগুলোতে কমে গেছে উৎপাদন। ঠিকমত মজুরিও পাচ্ছেন না শ্রমিকরা।

ঝালকাঠি লবণ মিল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জামাল শরিফ জানালেন- গ্যাস, ব্যাংক ঋণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এখানে লবণ উৎপাদন শিল্প প্রসারিত হবে।

এদিকে, ঝালকাঠি বিসিকের উপ-ব্যবস্থাপক মো. সাফাউল করিম জানালেন, লবণ শিল্পের বিকাশে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ঢাকায় ঝালকাঠির লবণের বাজার তৈরি হবে বলেও আশা এই কর্মকর্তার।

kanij/sharif