বরিশালে ৮ বছরেও চালু হয়নি ২টি পানি শোধনাগার

প্রকাশিত: ০২-০৯-২০২২ ০৭:৫৩

আপডেট: ০২-০৯-২০২২ ১৪:১৩

বরিশাল সংবাদদাতা: বরিশালে নির্র্মাণের ৮ বছরেও চালু হয়নি দুটি পানি শোধনাগার। নির্মাণ কাজের ত্রুটি, যন্ত্রাংশ বিকলসহ নানা জটিলতায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে দুটি পানি শোধনাগার বুঝে নিতে আপত্তি জানায় সিটি কর্পোরেশন। তবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের দাবি, সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষের কাছে দু'টি প্ল্যান্ট বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। বিশুদ্ধ পানির সংকট থেকে মুক্তি চান নগরবাসী। 

২০১০ ও ২০১১ সালে বরিশালের কীর্তনখোলা নদী তীরবর্তি বেলতলা ও রূপাতলিতে ১ কোটি ৬০ লাখ লিটার করে পানি শোধন করারক্ষমতা সম্পন্ন দুটি শোধনাগার নির্মাণ কাজ করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। যা শেষ হয় ২০১৬ সালের জুনে। এরপর দেড় বছর পর বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়ায় ২০১৮ সালে কিছুদিন পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। তবে পানি শোধনাগার দুটি থেকে কোন সুফল পায়নি নগরবাসী। নির্মাণ কাজে ত্রুটি, যন্ত্রাংশ বিকলসহ নানা জটিলতায় দুটি পানি শোধনাগার আর চালুই হয়নি। 

পানি শোধনাগার দুটি নির্মাণে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় শতকোটি টাকা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। কীর্তনখোলা নদীর ভাঙনে বিলীন হয়েছে বেলতলা শোধনাগার প্ল্যান্টের একাংশ। স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারের টাকা যেমন গচ্চা গেছে, তেমনি বিশুদ্ধ পানি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন নগরবাসী।  

বরিশাল সিটি করপোরেশনের দাবি, নিম্নমানের কাজের কারণে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে প্রকল্প দুটি বুঝে নেয়া হয়নি। তবে উল্টা কথা বলছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। পুনরায় সংস্কার করে পানি শোধনাগার দুটি দ্রুত চালুর দাবি নগরবাসীর। 

rocky/sharif