এখনও সরেনি পুরান ঢাকার রাসায়নিক গুদাম

প্রকাশিত: ১৬-০৮-২০২২ ১৮:১৩

আপডেট: ১৬-০৮-২০২২ ১৮:১৩

রাকিব হোসেন: বার বার অগ্নিকাণ্ড আর প্রাণহানির পরও পুরান ঢাকার বাসা বাড়ি থেকে সরেনি বিপজ্জনক রাসায়নিকের গুদাম ও ব্যবসা। ফলে ঝুঁকি নিয়েই পুরান ঢাকায় বাস করছে লাখ লাখ মানুষ। এখানকার ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিকল্প জায়গা দিলে তারা পুরান ঢাকা থেকে সরে যাবেন। কেবল ঢাকা নয়, চট্টগ্রামসহ দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলছে রাসায়নিকের মজুদ ও ব্যবসা। 

বছরের পর বছর ধরে পুরান ঢাকায় রাসায়নিকের গুদাম ও দোকানে আগুন লাগছে, ঘটছে প্রাণহানি। গত ১২ বছরে পুরান ঢাকায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয়েছে  ২’শ ও বেশি মানুষ। 

পুরান ঢাকার আরমানিটোলা, চকবাজার, লালবাগের আবাসিক ও ঘণবসতিপূর্ণ এলাকায় চলছে রাসায়নিক দ্রব্যের ব্যবসা। কেবল আরমানিটোলা এলাকার একটি গলির দুপাশে অসংখ্যা রাসায়নিকের দোকান রয়েছে। উপরে মানুষের বাস আর নিচে বিক্রি হচ্ছে বিপজ্জনক রাসায়নিক। 

এমন অবস্থা চট্টগ্রামসহ দেশের বেশ কয়েকটি জেলায়। সেখানেও কোন নিয়ম নীতি ছাড়াই চলছে রাসায়নিকদ্রব্যের সংরক্ষণ ও বিক্রি। 

২০২১ সালে পুরান ঢাকার ১৯২৪টি রাসায়নিক গুদামের তালিকা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাসায়নিকদ্রব্যের মজুত ও বিক্রি করতে যে নীতিমালা মানতে হয়, সেসব নীতির কোনো তোয়াক্কা করছেন না ব্যবসায়ীরা। 

রাসায়নিক ব্যবসায়ীদের অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্ত লাইন্সেস দেয়া বন্ধ রেখেছে ফায়ার সার্ভিস অধিদপ্তর। 

রাসায়নিকদ্রব্যের ব্যবসার জন্য মুন্সিগঞ্জের সিরাজদীখাঁন এ আলাদা শিল্প নগরী গড়ে তোলার উদ্যোগ নিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।

 

Rakib/shimul