নজর কেড়েছে মাফিয়া ও ডন

প্রকাশিত: ০৪-০৭-২০২২ ০৯:০৪

আপডেট: ০৪-০৭-২০২২ ০৯:২৮

ডেস্ক প্রতিবেদন: কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দেশের অন্যান্য জায়গার মত পশু পরিচর্যায় ব্যস্ত কুষ্টিয়া, হিলি ও মাগুড়ার খামারিরা। এসব খামারে দেশীয় পদ্ধতিতে লালন পালন করা হয়েছে গরু। তবে, এবার কোরবানির পশুর হাট মাতাবে কুষ্টিয়ায়ার বাংলার ডন ও মাফিয়া। তবে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খরচ বেড়েছে খামারিদের। এদিকে, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অবৈধপথে ভারত সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালান বন্ধের দাবি জানিয়েছে খামারিরা।

কুষ্টিয়ার বড় আইলচারা গ্রামের বোরহান মন্ডল বেশ কয়েক বছর ধরে কোরবানির পশুর হাটে বিক্রির জন্য গরু লালন পালন করে আসছেন। এবারো পরম যতেœ দুটি গরু প্রস্তুত করেছেন তিনি। কালো রঙের বিশাল দেহী গরুটির নাম রাখা হয়েছে বাংলার ডন। আর সাদা-কালোটির নাম বাংলার মাফিয়া। এবারের ঈদের বাজারে আলোচনায় রয়েছে বাংলার ডন ও বাংলার মাফিয়া।

বোরহান মন্ডলের সাথে গরুর পরিচর্যায় ব্যস্ত থাকেন পরিবারের অন্যরাও। একেকটি গরু ৩০ লাখ টাকায় বিক্রির আশা করছেন বোরহান মন্ডল।

খামার ছাড়াও কুষ্টিয়ায় অনেক বাড়িতেই এভাবে গরু লালন পালন করা হয়। গো খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্খিত লাব না পাওয়ার শঙ্কা তাদের।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: সিদ্দিকুর রহমান জানান, এ বছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে জেলার ৩৫ হাজার খামারে ১ লাখ ৮০ হাজার গরু, ছাগল ও মহিষ প্রস্তুত করা হয়েছে।

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে গরু লালন-পালনে ব্যস্ত হিলির গরুখামারিরা। এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে গরু কিনতে আসছেন পাইকাররা।

খাবারের দাম বাড়ায় গরু লালন পালনে খরচ বেশি পড়েছে। অবৈধপথে ভারত সীমান্ত দিয়ে গরু চোরাচালান বন্ধের দাবি জানান তারা ।

এদিকে, খামার বাড়াতে প্রণোদনাসহ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা অতিরিক্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ।

এদিকে, মাগুরার বিভিন্ন স্থানে এরই মধ্যে কোরবানির পশুর হাট বসেছে। তবে, হাটগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানার বালাই দেখা যায়নি ।

ভালো ক্রেতা সমাগম হলেও দাম বেশ কম বলে জানান বিেিক্রতারা । জেলার ৪ উপজেলায়  মোট গবাদী পশুর খামার রয়েছে ৪ হাজার ৯৪৫টি। এসব খামারে ৩১ হাজার ৯৯৭  টি গবাদী পশু লালন পালন করা হয়েছে। জেলায় মোট কোরবানীর পশুর চাহিদা ২৯ হাজার ৪০৫টি। ফলে উদ্বৃত্ত থাকবে ২ হাজার ৫৯২ টি গবাদী পশু ।

MNU/ramen