সুনামগঞ্জে পানি কমলেও সিলেটে বেড়েছে

প্রকাশিত: ০৩-০৭-২০২২ ১৫:১৫

আপডেট: ০৩-০৭-২০২২ ১৫:৫১

নিজস্ব সংবাদদাতা: গতরাতের বৃষ্টিতে সিলেটে সুরমা নদীর পানি কিছুটা বেড়েছে। তবে সুনামগঞ্জে নদ-নদীর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরছে বানভাসী মানুষ। মৌলভীবাজারের তিন উপজেলার প্রায় আড়াইলাখ মানুষ এখনো পানিবন্দী। নেত্রকোনা, কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। 

সিলেটে এখনো বন্যার পানিতে ভাসছে হাজার হাজার মানুষ, এরমধ্যেই শনিবার রাতভর থেমে থেমে বৃষ্টি। ফলে আবারো বাড়ছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। সুরমা নদীর পানি কানাইঘাটে এবং কুশিয়ারা নদীর পানি অমলশিদ পয়েন্টে দশমিক শূন্য দুই সেন্টিমিটার বেড়েছে। তবে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টি হলেও বন্যার পানি বৃদ্ধিতে তেমন প্রভাব ফেলবে না। 

সুনামগঞ্জে বন্যার পানি কমায় আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরছে বানভাসি মানুষ। জেলায় গেলো কয়েকদিন যাবত সুরমাসহ অন্যান্য নদীর পানি কমা অব্যাহত রয়েছে। পানি কমেছে জেলার নিæাঞ্চলেও। তবে বাড়ি ফিরে আবাসন সংকটসহ নানা সমস্যায় পড়েছে বন্যাদুর্গতরা। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা কম। ফলে এই এলাকার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে। 

গত দু’দিন বৃষ্টি না হওয়ায় মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ভোগান্তি কমছে না পানিবন্দী মানুষের। দীর্ঘমেয়াদি বন্যার কারণে পানিবাহিত রোগ দেখা দিচ্ছে। অনেকে ত্রাণ সহায়তা পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ রয়েছে। 

নেত্রকোনার ১০ উপজেলায় বন্যার পানি কমেছে। আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ ঘরে ফিরছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ভেঙ্গে গেছে গ্রামীণ সড়ক। ক্ষতি হয়েছে বাড়িঘর, গাছপালা ও সবজি ক্ষেতের। 

কুড়িগ্রামে বন্যার পানি কমলেও ভোগান্তি কমেনি মানুষের। চরাঞ্চলের নিচু এলাকার ঘরবাড়িতে এখনও বন্যার পানি থাকায় মানুষজন বিপাকে রয়েছে। লালমনিরহাটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে বাড়ছে নদী ভাঙ্গন।  

SMS/sharif