দেশের পুঁজিবাজারে মাসজুড়ে দরপতন

প্রকাশিত: ০১-০৭-২০২২ ১৪:৫৬

আপডেট: ০১-০৭-২০২২ ১৫:৪৮

তানজিলা নিঝুম:  গত সপ্তাহে টানা চার কার্যদিবস পুঁজিবাজারে লেনদেন ভালো হলেও মাসজুড়ে বেশিরভাগ কার্যদিবস শেষ হয়েছে দরপতন দিয়ে। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের জন্য জুলাই-আগষ্টে ডিভিডেন্ডের ঘোষণা দেবে প্রতিষ্ঠানগুলো। তাই জুন মাসে বিক্রেতার সংখ্যা বাড়ে, কমে ক্রেতা আর লেনদেন। তবে ডিভিডেন্ড ঘোষণার পর পুঁজিবাজার ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা বাজার সংশ্লিষ্টদের। নতুন বাজেটে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার সুযোগটি যুগোপযোগি বলেও মনে করেন তারা।

২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার পর পুঁজিবাজারে বেশিরভাগ কার্যদিবসে দরপতন দিয়ে শেষ হয়েছে লেনদেন। তবে গতসপ্তাহে টানা চার কার্যদিবস ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক উর্ধ্বমুখি ছিল। সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে ডিএসই’র প্রধান সূচক আগের দিনের তুলনায় ২৬ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৩০১ পয়েন্টে। আর ৮৯ কোটি ৩৭ লাখ টাকা কমে লেনদেন হয় ৫৯৪ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। আবার শেষ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক আগের দিনের তুলনায় ২৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়ায় ৬ হাজার ৩৭৬ পয়েন্টে। আর ১৩২ কোটি ৫ লাখ টাকা বেড়ে লেনদেন হয়েছে ৯৩৭ কোটি ৭৪ লাখ টাকা।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থবছর শেষে লাভে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগকারীদের জন্য ডিভিডেন্ড ঘোষণা করে থাকে। সাধারণত এ সময়ে ক্রেতার চেয়ে বিক্রেতার সংখ্যা থাকে বেশি। পাশাপাশি ডলারের দাম বেশি থাকায় বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রি করছে। তাই গত মাসে বাজারের চিত্র কিছুটা খারাপ ছিল বলে মনে করেন ডিএসই’র সাবেক কর্মকর্তা আহমদ রশীদ লালী।

প্রতিষ্ঠানগুলো ডিভিডেন্ড ঘোষণা করার পর বাজার ঘুঁরে দাঁড়াবে বলে প্রত্যাশা করছেন তিনি। পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে এনে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের তাগিদও দিলেন এই পুঁজিবাজার বিশ্লেষক। ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের বুঝেশুনে ধৈর্য্য ধরে পুঁজিবাজারে লেনদেন করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

Nijhum/ramen