বিচিত্র দুর্ভোগে বানভাসিরা

প্রকাশিত: ২৭-০৬-২০২২ ১৯:৩৭

আপডেট: ২৭-০৬-২০২২ ২১:১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: বন্যা কবলিত বেশিরভাগ মানুষ বাড়ি ঘরে ফিরেছে। বাড়িঘরে ফিরেও বিচিত্র দুর্ভোগের মুখে পড়েছে তারা। তবে, বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ও নিুাঞ্চলের অর্ধলক্ষাধিক মানুষ এখনও আশ্রয়কেন্দ্রে আছে। মৌলভীবাজারের কিছু এলাকা এখনো তলিয়ে আছে। এদিকে, উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে বন্যার পানি কমলেও কমেনি বন্যাদুর্গত মানুষের দুর্ভোগ। 

সিলেট অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরছে মানুষ। সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বেশিরভাগ এলাকা থেকে পানি কমে গেছে। তবে এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্য ও ডুবে যাওয়া ফসল নিয়ে বিপাকে রয়েছে বানভাসী মানুষেরা।

এছাড়া নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকায় এখনো পানি রয়েছে। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। ঘর মেরামতে সরকারের সহযোগিতা চান ভুক্তভোগীরা।

কুড়িগ্রামে নদনদীর পানি কমে পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে দেখা দিয়েছে ডায়রিয়া, আমাশয়সহ নানা পানিবাহিত রোগ। এখনো পানিতে তলিয়ে আছে প্রায় ১৬ হাজার হেক্টর জমির ফসল।

এদিকে, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় বন্যার অবনতি হয়েছে। রাস্থাঘাট-ঘরবাড়ী পানিতে ডুবে যাওয়ায় প্রায় ১৫ হাজার মানুষ ঠাঁই নিয়েছেন আশ্রয়কেন্দ্রে। 

দুর্গতদের জন্য সরকারি ত্রাণ বরাদ্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

নেত্রকোণায় কংশ,উব্দাখালি, সোমেশ্বরী, ধনু ও মগড়া নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে, বেশিরভাগ এলাকায় বাড়িঘর থেকে পানি নেমে যাচ্ছে।

অন্যদিকে, উত্তরাঞ্চলের তিস্তা, ধরলা, যমুনা, বহ্মপুত্রসহ সব নদ-নদীর পানি কমেছে। ফলে জামালপুর, নীলফামারী, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাটসহ এই অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নিতি হয়েছে। 

 

lamia/shamim