৬টি প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করলেন খাদ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ০১-০৬-২০২২ ২০:২৭

আপডেট: ০১-০৬-২০২২ ২১:১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক: ছয়টি কোম্পানি অবৈধভাবে চালের মজুদ ও বাজার অস্থির করেছে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এই ছয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কিছু অব্যাবসায়ীও জড়িত। এদের বিরুদ্ধে সরকার ব্যবস্থা নেবে বলে জানান তিনি। 

এদিকে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ ও অবৈধভাবে মজুদ ঠেকাতে রাজধানীসহ সারাদেশে অভিযান চালায় খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। 

ধানের মৌসুমে হঠাৎই চালের বাজার অস্থির হয়ে ওঠে। গত সপ্তাহ থেকে চালের দাম কেজি প্রতি ৬ থেকে ৮ টাকা বেড়ে যায়। ৫০ কেজির এক বস্তা চালে মিল মালিকরা মান ও প্রকারভেদে ৩শ’ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে। দাম নিয়ন্ত্রণে রাজধানীসহ সারাদেশে একযোগে অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ দল। 

বুধবার (পহেলা জুন) রাজধানীর মিরপুর, কাওরানবাজার, যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায়  অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় চালের পাইকারী ও খুচরা বাজারের দোকানে মূল্য তালিকা না টানানো  ও দামের গড়মিল পাওয়ায় জরিমানা করা হয়। 

চালের দাম বেড়ে যাওয়ার জন্য ছয়টি বড় প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করেছেন খাদ্যমন্ত্রী। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, দেশের বাজার থেকে চাল কিনে প্যাকেটজাত ও  বিক্রি নিষিদ্ধ করা হবে। 

এদিকে, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে অভিযান চালানো হচ্ছে। ধান-চালের মোকামখ্যাত নাটোরে চালের আড়তগুলোতে অভিযান চালিয়েছে খাদ্য অধিদপ্তর। কুৃষ্টিয়ার মোকামেও অভিযান চালিয়েছে জেলা টাস্কফোর্স।  

এছাড়া, নওগা, নারায়ণগঞ্জ, দিনাজপুরসহ বিভিন্ন স্থানে চাল মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

AKA/prabir