ইউক্রেনে ১৫ হাজার যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

প্রকাশিত: ০১-০৬-২০২২ ১৫:৫১

আপডেট: ০১-০৬-২০২২ ১৫:৫১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের শিল্প নগরী সেভেরোডোনেটস্কের বেশিরভাগ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে রাশিয়া। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আরো অনেক শহর এখন রুশ সৈন্যদের দখলে। এদিকে, যুদ্ধ শুরুর পর ইউক্রেনে ১৫ হাজার যুদ্ধাপরাধ হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে জানিয়েছে দেশটির প্রধান প্রসিকিউটর। ইউক্রেনকে দূর পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। 

ইউক্রেনের পূর্ব অঞ্চলের শিল্পনগরী সেভেরোডোনেস্কের কেন্দ্রে প্রবেশে ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে রুশ বাহিনী। সবশেষ পরিস্থিতি নিয়ে লুহানস্কের আঞ্চললিক গভর্নর জানিয়েছেন, সেভেরোডোনেস্কের বেশির ভাগ জায়গা রাশিয়া দখল নিয়েছে। তবে রুশ সমর্থিত বিদ্রোহীরা স্বীকার করেছে শহরটি দখলে প্রত্যাশার চেয়েও বেশি সময় লাগছে তাদের। 

ইউক্রেনকে উন্নত রকেট সিস্টেম বা ক্ষেপণাস্ত্র দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। রাশিয়ার ভূখন্ডে হামলার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করবে না কিয়েভ এমন ‘আশ্বাস’ দেওয়ার পরেই অস্ত্রগুলো পাঠানো হচ্ছে ইউক্রেনে। এর আগে ইউক্রেনে রকেট সিস্টেম পাঠাবে না বলে জানায় যুক্তরাষ্ট্র। 

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ইউক্রেনে প্রায় ১৫ হাজার যুদ্ধাপরাধের ঘটনা ঘটেছে। সন্দেহভাজন হিসেবে ৬০০ জনকে চিহ্নিত করা হয়েছে আর ৮০ টি যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে। নেদারল্যান্ডস এর হেগে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রধান প্রসিকিউটর। 

এদিকে, রুবলে গ্যাস ক্রয়-বিক্রয়ের শর্ত না মানায় নেদারল্যান্ডসে গ্যাসের সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়া। এই নিয়ে ইউরোপের পঞ্চম দেশে বন্ধ হলো রুশ গ্যাস সরবরাহ। মঙ্গলবার রাতে রাশিয়ার গ্যাস কোম্পানি গ্যাজপ্রম এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

NHK/sharif