নাটোরে নিখোঁজ গৃহবধূকে ৪ বছর পর উদ্ধার

প্রকাশিত: ০১-০৬-২০২২ ১৪:০৭

আপডেট: ০১-০৬-২০২২ ১৪:০৭

নাটোর সংবাদদাতা: শ্বশুড় বাড়ির নির্যাতন ও বাবা-মায়ের অসহযোগিতার কারণে নাটোরে আত্মগোপনে থাকা এক গৃহবধূকে চার বছর পর উদ্ধার করেছে পিবিআই। গৃহবধূর নাম আসমানি খাতুন, তিনি নাটোর সদর উপজেলার দিঘাপতিয়া ইউনিয়নের শিবদুর গ্রামের দুলাল হোসেনের স্ত্রী। 

বুধবার (পহেলা জুন) সকালে পিবিআই নাটোর কার্যালয়ে উদ্ধার করা ওই নারীকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে প্রেস ব্রিফিং করেছেন পিবিআই পুলিশ সুপার মোঃ শরিফ উদ্দিন। এসময় তিনি জানান, ২০১৯ সালের তেসরা ফেব্রুয়ারি আসমানির বাবা আকবর আলী বাদী হয়ে আসমামির স্বামী, বাবা-মা ও ভাই-বোনসহ ৫ জনকে আসামি করে নাটোর থানায় একটি গুমের মামলা করেন। ওই মামলায় আসমানির শ্বশুরকে আটকও করে পুলিশ। 

মামলাটি প্রায় দুই বছর পুলিশের নিকট তদন্তাধীন থাকার পর অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআই নাটোর জেলাকে নির্দেশ দেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ সাইদুর রহমান মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে কাজ শুরু করেন।  

পিবিআই পুলিশ সুপার জানান, একপর্যায়ে মামলার বাদি তার মেয়ে এতদিন জীবিত নেই এমন ধারণাই পোষণ করেন। পিবিআই প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও নানা কৌশল অবলম্বন করে জানতে পারেন, ভিকটিম আসমানী গাজীপুরের একটি গার্মেন্টসে কর্মরত আছে। পরে টিম পিবিআই নাটোরের সফল অভিযানের মাধ্যমে দুপুরে ভিকটিমকে উদ্ধার  করে আদালতে উপস্থিত করে।

জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শ্বশুর বাড়ির লোকজনের অমানবিক আচরণ থাকা সত্ত্বেও স্বামীর সংসার করার জন্য সকল অত্যাচার মেনে নেয়। বাবা-মার চাপের কারণে সে কাউকে কিছু না বলে চার বছর আগে শ্বশুরবাড়ি থেকে চলে যায়। পরে ক্ষোভ ও অভিমানে কারো সাথে যোগাযোগ না করে গার্মেন্টেসে চাকরি করে জীবন নির্বাহ করছিলেন।

afroza/sharif