জাপানের আদলে মেট্রোরেলের স্টেশন

প্রকাশিত: ২৮-০৫-২০২২ ১৪:৩৪

আপডেট: ২৮-০৫-২০২২ ১৯:৫৫

পার্থ রহমান: বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আর সুবিধা নিশ্চিত করে নির্মিত হচ্ছে মেট্রোরেলের স্টেশন। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত, নান্দনিক রুপ আর বিশাল পরিসরের এসব স্টেশনে সর্বোচ্চ সেবা পাবেন যাত্রীরা। বয়স্ক আর বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের জন্য লিফট এবং চলন্ত সিড়ির ব্যবস্থা থাকবে। আগষ্ট মাসে উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত প্রথম পর্যায়ের স্টেশনগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। 

নান্দনিক রুপে তৈরী হচ্ছে মেট্রোরেলের স্টেশন। লাল সবুজের আবহে গড়ে তোলা এই স্টেশনকে আইকনিক স্টেশন নাম দিয়েছে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ। উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মেট্রোরেলের প্রথম স্টেশনের নির্মাণ কাজ অনেকটাই শেষের পথে। তিন তলা এই স্টেশনে ওঠা নামার জন্য সিড়ি নির্মাণ শেষ হয়েছে। তবে অসুস্থ্য এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের জন্য থাকছে লিফটের ব্যবস্থা। দ্বিতীয় তলায় বড়পরিসরে গড়ে উঠেছে মেট্রোরেলের বিভিন্ন পরিসেবা। 

দ্বিতীয় তলায় থাকছে টিকেট সংগ্রহের কক্ষ। পুরো স্টেশন জুড়ে যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা আর গতিবিধি পর্যবেক্ষণের জন্য থাকছে অসংখ্য সিসি ক্যামেরা। পুরো মেট্রোরেল পরিচালিত হবে নিজস্ব নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে। টিকেট কার্ড সেন্সরে স্পর্শ করলে খুলে যাবে দরজা। তৃতীয় তলায় মুল প্লাটফর্মে উঠতে হবে মেট্রোরেলে চড়ার জন্য। উপরের তলায় ওঠার জন্য থাকবে চলন্ত সিড়ি। মূল প্লাটফর্ম পুরোটাই ঘেরা থাকবে প্লাটফর্ম স্ক্রিন ডোর বা সেন্সর দরজায়। 

বিশ্বের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি আর মান নিশ্চিত করে সেন্সর দরজা লাগানো হচ্ছে মেট্রোরেলে প্রকল্পে। কোনো যাত্রী অসুস্থ্য হলে তার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা আছে মেট্রোরেলের স্টেশনে। যাত্রীদের সময় কাটানোর জন্য থাকছে চা-কফির স্টলও। উত্তরা থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের এমন ১৭টি স্টেশন থাকবে। এরই মধ্যে ৬টি স্টেশনের নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে আছে বলে জানান ব্যবস্থাপনা পরিচালক। স্টেশনের নিরাপত্তায় মেট্রোরেল পুলিশ নিয়োগ করা হবে বলে জানান প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

MRP/ramen