বাড়তি ফসল উৎপাদনে ‘ভবিষ্যত খামার’

প্রকাশিত: ২৩-০৫-২০২২ ১৪:৪০

আপডেট: ২৩-০৫-২০২২ ১৪:৪১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পৃথিবীর জনসংখ্যা বেড়েই চলেছে। ক্রমবর্ধমান এই জনসংখ্যার বাস্তু ও কর্মসংস্থানের প্রয়োজনে ব্যবহার হচ্ছে জমি। আর তাতে কমছে ফসলি জমি ও উৎপাদন। বাড়তি জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজন খাবার সংস্থান করা। তাই অল্প জায়গায় বাড়তি ফসল উৎপাদন করা এখন আধুনিক বিশ্বের লক্ষ্য। এ লক্ষ্যে নেদারল্যান্ডস একটি নতুন পন্থার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়েছে, যাকে তারা অভিহিত করেছে ‘ভবিষ্যত খামার’ নামে।

নেদারল্যান্ডসের এই প্রকল্পে গ্রিন হাউজে নতুন পদ্ধতিতে পরীক্ষামূলকভাবে ফসল উৎপাদন করা হচ্ছে। গ্রিন হাউজের সম্পূর্ণ তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করছে কম্পিউটার। প্রয়োজন অনুযায়ী, ক্রিসমাসের সময়ও রৌদ্রজ্জ্বল দিনের মতো তাপমাত্রা তৈরি করা যায়। কখনো একেবারে অন্ধকার রাতও করা যায়। সেখানে সূর্যের আলোর বদলে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম আলো।

স্বল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে দ্বিগুনেরও বেশি ফসল উৎপাদন করতে এ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হচ্ছে। এতে প্রতি স্কয়ার মিটারে ফসল উৎপাদিত হয় সাধারনের চেয়ে ২০ গুণ বেশি। পানি ব্যবহৃত হয় সাধারনের চেয়ে ৪ গুণ কম।

এতে পোকামাকড় রোধে ব্যবহার করা হয়েছে ড্রোন। এই ড্রোনটি প্রথমে পতঙ্গকে চিহ্নিত করে। পরে সেই পতঙ্গকে ধ্বংস করে ফেলে।

পৃথিবীর ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার জন্য প্রয়োজন টেকসই খাবাবের। আর এতে যে কোন ধরনের সার, কীটনাশক ও পচনরোধী রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় না। এ পদ্ধতিতে পুণঃব্যবহার করা হয় উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামালকে। এই পরীক্ষা সফল হলে ফসল উৎপাদনে বড় ভুমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

samia/ramen