সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির আরো উন্নতি

প্রকাশিত: ২৩-০৫-২০২২ ০৯:২৯

আপডেট: ২৩-০৫-২০২২ ১৫:২২

ডেস্ক প্রতিবেদন: সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হয়েছে। সিলেটে সুরমা ও কুশিয়ারাসহ সবকটি নদীর পানি কমছে। নগরীর বেশিরভাগ বাড়িঘর ও সড়ক থেকে পানি সরে গেছে। তবে জেলার নিম্নাঞ্চল এখনো ডুবে রয়েছে। দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। সুনামগঞ্জেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। সুরমা ও অন্যান্য নদনদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে এরইমধ্যে প্রায় এক হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নদনদীর পানি কমতে থাকায় সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। সুরমা, কুশিয়ারা, ধলাই ও পিয়াইন নদীর পানি কমলেও বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। তবে, কুশিয়ারা নদীর পানি ফেঞ্চুগঞ্জ ও শেরপুর পয়েন্টে বেড়েছে। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে আগামী আগামী ২৪ ঘণ্টায় বন্যা পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।

সিলেট নগরীর বেশিরভাগ বাসাবাড়ি থেকে পানি সরলেও অনেক এলাকা এখনও জলমগ্ন। ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ। তলিয়ে আছে অনেক সড়ক। বন্যায় এবার সড়ক বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জকিগঞ্জ, কোম্পানিগঞ্জ ও কানাইঘাটসহ অন্যান্য উপজেলার নিম্নাঞ্চলের মানুষ এখনো পানিবন্দী। এসব এলাকায় খাবার ও সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে।

এদিকে, সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কমছে অন্যান্য নদনদীর পানিও। পৌর শহরের বন্যা কবলিত এলাকা থেকে পানি সরছে। তবে জেলার নিম্নাঞ্চলে এখনো পানিবন্দী লাখো মানুষ। আশ্রয়কেন্দ্রে রয়েছেন অনেকে। বন্যায় জেলার প্রায় এক হাজার হেক্টর জমির বোরো ফসল, বাদাম ও বিভিন্ন সবজি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তলিয়ে গেছে পুকুর ও মাছের ঘের।

অন্যদিকে, মধ্যাঞ্চলে নদ-নদীর পানি বাড়ছে।  ফরিদপুরে বেড়েছে পদ্মা, মধুমতি ও আড়িয়াল খা নদীর পানি। পদ্মার পানিতে তলিয়ে গেছে ফরিদপুরের নিম্নাঞ্চলের শতাধিক একর জমির ফসল। যেখানে মূলত বাদাম চাষ করা হয়েছিল।

সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। দেখা দিয়েছে ভাঙন। শাহজাদপুর উপজেলার নদীতীরবর্তী জালালপুর, পাঁচিল ও পাকুরতলা গ্রামের বেশকিছু এলাকা নদীতে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে এসব এলাকার মানুষ।

MNU/ramen