ঈদযাত্রায় সড়কে যানজট বাড়ার আশংকা

প্রকাশিত: ১৭-০৪-২০২২ ১৪:৪৯

আপডেট: ১৭-০৪-২০২২ ১৬:২২

নিজস্ব প্রতিবেদক: এবছর ঈদ যাত্রায় রাজধানীসহ অনেক সড়কে তীব্র যানজট ও ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি বাড়ার আশংকার কথা জানিয়েছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। আজ রোববার (১৭ই এপ্রিল) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব বলেন, করোনার প্রকোপ কমে আসায় সাধারণ সময়ের চেয়ে সড়ক-মহাসড়কে যানবাহনের ৬০ কোটি ট্রিপ বেশি হবে। 

ড. হাদিউজ্জামান বলেন, বর্তমানে দেশে বাসে আট লাখ, ট্রেনে এক লাখ, লঞ্চে দেড় লাখ ও মোটরযানে চার লাখ মানুষের যাতায়াতের সুযোগ রয়েছে। বাকি মানুষ ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ট্রেন, লঞ্চের ছাদে করে যাবে। সক্ষমতার বাইরে যখন চাহিদা চলে যাবে সড়ক ব্যবস্থাপনা কোমায় চলে যাবে, ধ্বংস হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, ভাড়া নৈরাজ্যকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কাগুজে বাঘের মতো হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করলেও দৃষ্টান্তমূলক কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থতার কারণে এবার সব পথে দ্বিগুণ-তিনগুণ অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ে নৈরাজ্য হবে। তাই অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

এসময় বুয়েটে সড়ক দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের পরিচালক হাদিউজ্জামান জানান, ঈদের আগের চারদিন গড়ে ৩০ লাখ মানুষ প্রতিদিন ঢাকা ছাড়বে। যার অর্ধেকই বহনের সক্ষমতা নেই বর্তমান যানবাহন ব্যবস্থাপনায়। তাই পোশাক কারখানাগুলো পর্যায়ক্রমে ছুটি দেয়াসহ ঈদ যাত্রাকে তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক করতে বেশকিছু পরামর্শ তুলে ধরেন তিনি।

লিখিত বক্তব্যে যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় রাজধানীবাসী যানজটের কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়বে। তাই এই মুহূর্ত থেকে রাজধানীর সব পথের ফুটপাত হকার ও অবৈধ পার্কিংমুক্ত করতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে জোর দাবি জানাই।

তিনি বলেন, বলেন, করোনা সংকটসহ নানা কারণে এবারের ঈদযাত্রায় যাত্রী সাধারণ ব্যাপকভাবে অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, টানা পার্টিসহ টার্মিনালে নানা প্রতারকচক্রের খপ্পরে পরে সর্বস্ব খুইয়ে ঈদ আনন্দ মাটি হতে পারে। তাই প্রতিটি বাস, লঞ্চ ও রেলস্টেশনে সিভিল পোশাকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানান তিনি। এছাড়া মহাসড়কে ডাকাতি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক আবু সাঈদ খানসহ বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Azmi/sharif