পটুয়াখালীতে জেলেদের জন্য সহায়তা

প্রকাশিত: ১৭-০৪-২০২২ ১০:০৩

আপডেট: ১৭-০৪-২০২২ ১০:৫৩

পটুয়াখালী সংবাদদাতা: সরকারের নানামুখী উদ্যোগে প্রতি বছর দেশে বাড়ছে ইলিশের উৎপাদন। মাছের প্রজনন, বেড়ে ওঠা এবং উৎপাদন বাড়াতে সরকার বিভিন্ন সময় মাছ শিকারে বিধিনিষেধ আরোপ করে। নিষেধাজ্ঞার সময় জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেযার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় পটুয়াখালী জেলায় চার হাজার জেলেকে বকনা বাছুর দেয়া হচ্ছে।

ইলিশের প্রধান প্রজনন মওসুম নির্বিঘœ করতে বছরে নির্দিষ্ট একটা সময়ে ২২ দিন দেশের সকল নদ-নদী ও সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকে, আর পহেলা নভেম্বর থেকে ৮ মাস জাটকা ধরায় থাকে নিষেধাজ্ঞা। এছাড়া, পহেলা মার্চ থেকে দুই মাস ইলিশের অভয়আশ্রমগুলোতে নিষিদ্ধ থাকে মাছ শিকার। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে জেলে পরিবারগুলো কর্মহীন হয়ে পড়ে। এমন পরিস্থিতি বিবেচনায়, মৎস্য বিভাগ এবার জেলেদের বিনামূল্যে বকনা বাছুর দেয়ার  উদ্যোগ নিয়েছে। এতে খুশি উপকূলের জেলেরা।

গরু পালন করে জেলেরা যাতে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে সেজন্যই এমন উদ্যোগ বলে জানালেন পটুয়াখালী সদর উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মুহম্মদ মাহফুজুর রহমান।

পটুয়াখালী জেলায় ৭০ হাজার নিবন্ধিত জেলে রয়েছে। জেলেদের বিকল্প পেশা সৃষ্টি ও তাদের জীবনমান উন্নয়নে ‘ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যস্থাপনা’ প্রকল্পের আওতায় নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার বন্ধে জেলেদের বৈধ জাল দেয়া হয়েছে বলে জানালেন  বরিশাল মৎস্য অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোঃ আনিসুর রহমান তালুকদার।

মৎস্য সম্পদের উন্নয়নে সরকারের এ ধরনের পদক্ষেপে দেশে ইলিশ ও অনান্য মাছের উৎপাদন বাড়বে বলে মনে করেন মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টরা। 

 

 

 

MNU/prabir