রপ্তানি বাণিজ্য রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন

প্রকাশিত: ১৬-০৪-২০২২ ১৯:৩০

আপডেট: ১৬-০৪-২০২২ ২০:২৪

নিজস্ব প্রতিবেদক: উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতি মিললে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত বাণিজ্য সুবিধাসহ বৈদেশিক বাণিজ্যের অনেক সুবিধা হারাবে। এতে রফতানি খাত সবচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা। এঅবস্থায় উন্মুক্ত বাজারের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে অভ্যন্তরীণ শিল্পের সক্ষমতা বাড়ানো পরমর্শ সংশ্লিষ্টদের। তবে, সরকারের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের কর্মকর্তারা আশাবাদী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশ অবস্থান করে নেবে। তবে, এজন্য  বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকেও ভূমিকা রাখতে হবে। 

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে আসার পর রপ্তানি খাতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বেসরকারি খাতের করণীয় নির্ধারণে এই সেমিনারের আয়োজন করে এফবিসিসিআই। আজ শনিবার (১৬ই এপ্রিল) রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বক্তরা রফতানি খাতের সংকট ও করণীয় নিয়ে আলোচনা করেন। 

বক্তারা বলেন, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন যেসব সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ হলে তা হারাবে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রপ্তানি কমবে ২৬ দশমিক ২৮ শতাংশ,  কানাডায় ৪২ দশমিক ০৫ শতাংশ,  জাপানে ৩০ দশমিক ৫৩ শতাংশ ও  চীনে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।  উন্নয়নশীল দেশের উত্তরণের যাত্রায় এখনো বাকি ৪ বছর। এসময়ে বিশ্ব্বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা ও উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরমর্শ সংশ্লিষ্টদের। 

অনুষ্ঠানে এফবিসিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন জিএসপিসহ শুল্কমুক্ত সুবিধাসমূহ উন্নয়নশীল দেশে উত্তররণের পরও কিছু সময় অব্যাহত রাখা, নতুন উদ্যোক্তাদের সুদ বিহীন দীর্ঘ মেয়াদী ঋণ প্রদান, বিশ্বে রপ্তানির নতুন পণ্য ও বাজার খুঁজে বের করাসহ ২৯ দফা প্রস্তবনা পেশ করেন। 

সেমিনারে অংশ নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বলেন, এলডিসি পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকতে দক্ষ শ্রমিক গড়ে তুলতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সকল সংকট কাটিয়ে বিশ্বে রফতানি বাজারে বাংলাদেশ আরও ভালো করবে বলে প্রত্যাশা তাদের। অনুষ্ঠানে ব্যবসায়ীরা রপ্তানি সুবিধা সকল খাতের জন্য সমান করার দাবি জানান। 

MTA/sharif