মহান স্বাধীনতা দিবস আজ

প্রকাশিত: ২৬-০৩-২০২২ ০০:১৯

আপডেট: ২৬-০৩-২০২২ ১৬:২৪

রীতা নাহার: আজ মহান স্বাধীনতা দিবস। একাত্তর সালের ২৬শে মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকে স্বাধীনতাকামী বাঙালি পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে ৯ মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করে। ৩০ লক্ষ শহীদ, আড়াই লক্ষ নারীর সম্ভ্রমসহ সীমাহীন ক্ষতি মেনে প্রতিষ্ঠা করে স্বাধীন বাংলাদেশ। অবশ্য স্বাধীনতার চিন্তা এবং তা বাস্তবায়নে আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস আরও অনেক দীর্ঘ। যার বহুকিছু আজও অজানা, উন্মোচনে প্রয়োজন বৃহৎ গবেষণা।

একাত্তরের ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন তা গোটা বিশ্ব জানে। অবশ্য মুক্তিযুদ্ধের বহু গবেষক একাত্তরের সাতই মার্চ ঢাকার জনসমুদ্রে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণকে ভিন্ন কৌশলে স্বাধীনতারই ঘোষণা বলেন।

তবে মুক্তিযুদ্ধ গবেষক ও ইতিহাসবিদের তথ্য অনুসারে, তরুণ শেখ মুজিব স্বাধীন বাংলাদেশের চিন্তা করেন ১৯৪৭ সালে। এরপর একাত্তর পর্যন্ত ২৩ বছর বাঙালির সকল আন্দোলন-সংগ্রাম নানা রূপে ও কৌশলে কেবল স্বাধীনতার পথে ধাবিত হয়েছে।  

১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থানের বছর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ নামে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আরও স্পষ্ট করেন। পরের বছর সত্তরে অখন্ড পাকিস্তানের শেষ জাতীয় নির্বাচন ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের সুদীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামেরই অংশ। যার ধারাবাহিকতায় আসে একাত্তরের সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ পর্ব। 

একাত্তরের ২৫শে মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি শত্র“ সেনারা ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ নামে বাঙালি গণহত্যা শুরু করে, ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে গ্রেপ্তার করে শেখ মুজিবকে। তার আগেই নিজস্ব গোপন কৌশল ও পরিকল্পনায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে তা ছড়িয়ে দেন শেখ মুজিব।

স্বাধীনতার ৫১ বছরে শুধু একাত্তরের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের বহু ইতিহাস পড়ে আছে আড়ালে। তার আগে সুদীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাস উন্মোচনে সুপরিকল্পিত বৃহত্তর গবেষণার বিকল্প নেই।

 

KNR/shamim