‘এইচডি' প্রযুক্তিতে বৈশাখী টেলিভিশন

প্রকাশিত: ২৫-০৩-২০২২ ১১:০২

আপডেট: ২৬-০৩-২০২২ ১২:৫৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: স্বাধীনতা দিবসের গৌরবময় ক্ষণে সম্প্রচারে দৃষ্টিনন্দন পরিবর্তন এনেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্ভাসিত বৈশাখী টেলিভিশন। দর্শকরা উপহার হিসেবে পাচ্ছেন ‘এইচডি’ প্রযুক্তিনির্ভর স্বচ্ছ ও ঝকঝকে পর্দায় সংবাদ ও বিনোদনের সব আয়োজন। আজ (২৬শে) মার্চ থেকে লাল-সবুজের বৈশাখীর লোগোর পাশে জায়গা করে নিয়েছে পরিচয়ের নতুন মাত্রা ‘এইচডি’। 

২০০৫ সালের সাতাশে ডিসেম্বর বৈশাখী টেলিভিশন আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে। বাঙলা ও বাঙালির ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় বৈশাখের চিরন্তন ভাবনার সাথে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অঙ্গীকার বহন করে চলেছে বৈশাখী টেলিভিশন। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ আর রুচিশীল মানসম্মত অনুষ্ঠান দিয়ে বৈশাখী আজ গণমানুষের টেলিভিশন। 

স্বাধীনতার মাসে আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে বৈশাখী টেলিভিশনের পর্দা হয়েছে আরও স্বচ্ছ ও ঝকঝকে। স্ট্যান্ডার্ড ডেফিনিশন-এসডি প্রযুক্তিকে বিদায় জানিয়ে হাই-ডেফিনিশন- এইচডি প্রযুক্তির সহায়তায় বৈশাখীর সম্প্রচার মান বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এজন্য একমাস ধরে চলেছে আইটি ও ব্রডকাস্ট প্রকৌশলীদের কর্মযজ্ঞ। 

বৈশাখী টেলিভিশনের হেড অব ব্রডকাষ্ট মোস্তাফিজুর রহমান পলাশ জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বৈশাখী টেলিভিশন এসডি প্রযুক্তিতে প্রচারিত হয়েছে, বর্তমানে এইচডিতে দর্শকরা দেখতে পারছেন স্বাধীনতা দিবসের দিন, ২৬শে মার্চ থেকে। আরও ভালো ছবি ও শব্দের সংবাদ ও অনুষ্ঠান দেখা যাচ্ছে বৈশাখীর পর্দায়। 

অগ্রসর প্রযুক্তির জগতে পদচারণা শুরু করতে যাওয়া চ্যানেলটির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক জানান, এ উদ্যোগ দর্শকদের কথা ভেবে। প্রযুক্তির পরশে বদলে গেছে বৈশাখী টেলিভিশন।

বৈশাখী টেলিভিশনের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন বলেন, বৈশাখী টেলিভিশন সবসময়ই দর্শকদের কাছে স্বচ্ছ ও উন্নতমানের সম্প্রচার উপস্থাপনা করতে চায়। 

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আগের ফ্রিকোয়েন্সিতেই বৈশাখী টেলিভিশনের এইচডি সম্প্রচার দেখতে পারছেন দর্শকরা। তবে টেলিভিশন সেটের জন্য দরকার হবে সেট টপ বক্স।

FM/prabir