দুর্নীতির মামলায় সাজা কমলো এমপি হারুনের

প্রকাশিত: ০৯-১২-২০২১ ১৪:০৪

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: দুর্নীতির মামলায় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশিদকে বিচারিক আদালতের দেয়া সাজার মেয়াদ কমিয়েছে হাইকোর্ট। ঐ মামলায় বিচারিক আদালত পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিলেও হাইকোর্ট দিয়েছে ১৬ মাস। তবে, মামলা বিচারাধীন থাকার সময় হারুন অর রশীদ ১৬ মাস কারাভোগ করে জামিনে মুক্তি পান। এই সময়কালকেই সাজাভোগ হিসেবে বিবেচনা করেছে হাইকোর্ট। তাই হারুন অর রশীদকে আর জেলে যেতে হবে না। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত আপিল আবেদন খারিজ করে বিচারপতি মোহাম্মদ সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রায় দেন। বিগত চার দলীয় জোট সরকারের সময় শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা নিয়ে, পরবর্তীতে তা বিক্রি করে, শুল্ক ফাঁকির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের করা মামলায় বিএনপি নেতা ও সংসদ সদস্য হারুন অর রশীদকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিলো বিচারিক আদালত। পরে এই দণ্ডের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। শুনানি শেষে বিচারপতি মো. সেলিমের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল খারিজ করে রায় দেন। তবে রায়ে, হারুন অর রশীদ পূর্বে এই মামলায় যে ১৬ মাস কারাবাস করেছেন, তাকেই মামলার সম্পূর্ণ সাজা হিসেবে গণ্য করেছেন হাইকোর্ট। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামী এনায়েতুর রহমান বাপ্পী ও ইশতিয়াক সাদেকের কারাবাসের দিনগুলোকেও সাজা হিসেবে গণ্য করে আদালত রায় দিয়েছেন। এছাড়াও এই তিনজনের অর্থদণ্ড বাতিল করা হয়েছে। তবে এই রায়ের পর হারুন অর রশীদের সংসদ সদস্য পদ থাকবে কি-না, সে প্রসঙ্গে ভিন্ন মত দিলেন আসামীপক্ষ সও দুদকের আইনজীবী। দুদকের ঐ মামলায় ২০১৯ সালের ২১ অক্টোবর এমপি হারুনকে পাঁচ বছরের দণ্ডের পাশাপাশি ৫০ লাখ টাকা জরিমানা করে রায় দেয় বিচারিক আদালত। অন্য দুই আসামির মধ্যে একজনকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা করে। আরেক জনকে তিন বছর কারাদণ্ডের পাশাপাশি ৪০ লক্ষ টাকা জারিমান করে।

/admiin