বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভুটান'

প্রকাশিত: ০৬-১২-২০২১ ০৮:৩১

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৬শ ২০ তম প্রতিবেদন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশ, ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর প্রথম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে অন্য কোন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি পায়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মিত্রদেশ ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার আরেক রাষ্ট্র ভুটান একাত্তরের এদিন সামান্য কয়েক ঘন্টা আগে, পরে বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বিশ্ব মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভূদ্যয়ের জন্য রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে একাত্তরের ৬ই ডিসেম্বর এক মাইলফলক অগ্রগতির দিন।

১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর বেতার ভাষণে বাংলাদেশের স্বীকৃতি প্রসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী বলেন, ‘শুধুমাত্র ভাবাবেগে পরিচালিত হয়ে আমরা স্বীকৃতি দানের সিদ্ধান্তে উপনীত হইনি। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে বিচার করেই বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিচ্ছি।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

অন্যদিকে ভারত স্বীকৃতি দেওয়ার কয়েক ঘন্টা পরেই দক্ষিণ এশিয়ার আরেক দেশ ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

একাত্তরের এদিন, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে ভাষণ দেন মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায় ভারত ও ভুটান সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, আমাদের বন্ধু, প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে। এই স্বীকৃতি মানবতা ও গণতন্ত্রের পক্ষে স্বীকৃতি। বাংলাদেশের দিগন্ত স্বাধীনতার পূর্ণ আলোকে উদ্ভাসীত হওয়ার আগেই বিশ্বের অন্যান্য দেশ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে।” (সূত্রঃ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র)

/admiin