পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে সংকট কাটছে না

প্রকাশিত: ০৩-১২-২০২১ ১৪:০৫

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

রীতা নাহার: ২০২২ সালের স্কুল পর্যায়ের সব শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেয়ার পাঠ্যবই ছাপা নিয়ে একের পর এক তৈরি হচ্ছে সংকট। নির্ধারিত সময়ে সব বই ছাপানো সম্ভব হবে কিনা সে সংশয় তো রয়েছেই। তার ওপর যেসব বইয়ের মুদ্রণ শেষ হয়েছে তাতে ব্যবহার করা হয়েছে নিুমানের কাগজ। ছাপার মানও অত্যন্ত নিম্ন।

প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়ার যে ধারা তৈরি করেছে সরকার, এ বছর সে ধারাবাহিকতা কতটা রক্ষা করা যাবে- তা নিয়ে সংশয় কাটছেই না।

১০ কোটি ৩৫ লাখ বইয়ের মধ্যে প্রাথমিকের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণীর প্রায় ১কোটি বই ছাপা চলছে। কিছু কিছু বই পৌঁছাতে শুরু করেছে উপজেলায়। এসব বই ঘেঁটে দেখা গেছে, এনসিটিবির দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী কাগজ ব্যবহার করা হয়নি। এক পৃষ্ঠার ছবির ছাপ চলে গেছে অপর পৃষ্ঠায়। কোথাও কোথাও ছড়িয়ে পড়েছে রঙ, ছবিও ঝাপসা।

প্রকাশকরা বলছেন, এসব বই ছাপাচ্ছে ঢাকার কেরানীগঞ্জের কচুয়া প্রিন্টার্স ও নোয়াখালীর অগ্রনী প্রিন্টার্স। এই দুই প্রতিষ্ঠানকে অতিরিক্ত বই ছাপার কার্যাদেশ দিতেই সক্ষমতা সংক্রান্ত নতুন সংশোধনীও আনে এনসিটিবি।

বই ছাপানোয় কাগজের মানসহ কোন শর্ত লংঘিত হলে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা বলে জানান এনসিটিবি চেয়ারম্যান।

জানুয়ারির প্রথম দিন শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছানো হবে বলেও আশাবাদী তিনি।

/admiin