অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার- প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ২৮-১১-২০২১ ১২:২৭

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে প্রাধান্য দিচ্ছে সরকার। দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি-পিটিএ স্বাক্ষর হয়েছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৮টি দেশে একতরফা শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাচ্ছে। ৩৬টি দেশের সঙ্গে দ্বৈত-করারোপন পরিহার চুক্তি বলবত আছে। আমরা বিভিন্ন বাণিজ্য জোটের সঙ্গে নিবিরভাবে কাজ করছি। বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতে অবকাঠামোসহ সকল নীতিগত সহায়তা প্রদানে অঙ্গীকারাবদ্ধ তার সরকার।

আজ রোববার (২৮শে নভেম্বর) আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সামিট-২০২১ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বৈদেশিক বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের গুরুত্ব দিন-দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশের প্রতি আস্থার ফলে ৬০ শতাংশের বেশী প্রত্যক্ষ বিদেশী বিনিয়োগ আসছে পুনঃবিনিয়োগের মাধ্যমে।

তিনি বলেন, জাতীয় শিল্পনীতিসহ খাতওয়ারি শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রণয়ন করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। প্রতিটি প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রবৃদ্ধির জন্য বন্ড ব্যবস্থাপনা অটোমেশন করা, ৩৯টি হাইটেক-পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ চলমান রয়েছে। যেখানে ২৮ হাজার বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, অমরা ‘বাংলাদেশ সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব আইন, ২০১৫ প্রণয়ন করেছি এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছি। বর্তমানে ৭৯টি পিপিপি প্রকল্পে প্রায় ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব বাস্তবায়নের অপেক্ষায়। ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬ প্রণয়ন করেছি এবং বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠা করেছি। ২০১৯ সাল থেকে ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে ৩৫টি সংস্থার ১৫৪টি বিনিয়োগ সেবা অনলাইনে প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বে এখন উন্নয়নের ‘রোল মডেল। আমরা ‘এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড পেয়েছি। দেশে ৯৯.৯৯ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধা পাচ্ছে। আমাদের ১২ কোটির বেশী মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন দক্ষ জনসম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে চতুর্থ শিল্প-বিপ্লব থেকে সর্বোচ্চ সুবিধা আহরণের প্রস্তুতি নিচ্ছি। ২০২৫ সালের মধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলারের আইটি পণ্য রপ্তানির লক্ষ্য নিয়েছি।

/admiin