পাকিস্তানিদের পরাজয় অনিবার্য হয়ে পড়ে

প্রকাশিত: ২৮-১১-২০২১ ১০:২৫

আপডেট: ২৫-০১-২০২২ ০৯:৫৮

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৬শ ১২ তম প্রতিবেদন।

একাত্তর সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নভেম্বরের শেষে এসে নিজেদের করুণ পরিণতি আশংকা করে দখলদার পাকিস্তানী সামরিক সরকার। সেখান থেকে পরিত্রাণের জন্য কূটনৈতিকভাবে জাতিসংঘকে সম্পৃক্ত করে বাঙ্গালি নিধনযজ্ঞের কুশীলব পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান। তার এই কূটচালের জবাব দেন মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কর্নেল এম. এ. জি ওসমানী।

১৯৭১ সালের ২৮শে নভেম্বর কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত সাক্ষাতকারে ওসমানী বলেন, অক্টোবর-নভেম্বর থেকেই পাকিস্তান বাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে আন্তর্জাতিকীকরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছিল, যাতে তাদের জান বাঁচে, জাতিসংঘের হস্তক্ষেপে একটি যুদ্ধবিরতি হয়, অবজারভার এসে যায় এবং জাতিসংঘের কাছে সমস্যাটি দিয়ে তাদের জান রক্ষা করে। শত্রপক্ষের এই ছিল প্রচেষ্টা। কারণ, তারা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল যে, তাদের পরাজয় একেবারে অনিবার্য। এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

/admiin