কানাডায় আরেকটি গণকবরের সন্ধান

প্রকাশিত: ১০:৪৮, ০১ জুলাই ২০২১

আপডেট: ১০:৪৮, ০১ জুলাই ২০২১

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার একটি আবাসিক বিদ্যালয়ে আরও ১৮২ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে আদিবাসী জাতিগোষ্ঠী। এই আবিষ্কারটি দেশটির এই রকম অচিহ্নিত কবরস্থানগুলির ক্রমবর্ধমান সংখ্যায় আরেকটি সংযোজন। ভয়াবহ এই অনুসন্ধান দেশজুড়ে ক্ষোভ বাড়ছে এবং কেউ কেউ ১ জুলাই কানাডা দিবসের ছুটি বাতিলেরও আহবান জানিয়েছে। যেহেতু তদন্ত চলছে তাই এমন আরও কবরের সন্ধান মিলবে বলে জানিয়েছে আদিবাসী নেতারা।

লোয়ার কুতেনেই আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রধান এবং কুতুনাক্সা জাতির সদস্য জেসন লুই বলেন, এমন কিছুর জন্য কেউ কখনোই প্রস্তুত ছিলো না। কুতুনাক্সা জাতির চারটি স¤প্রদায়ের মধ্যে একাকাম স¤প্রদায় ব্রিটিশ কলম্বিয়ার ক্র্যানব্র“কের কাছে সাবেক সেন্ট ইউজেন মিশন স্কুলের কাছাকাছি থাকা কবরস্থানগুলি উন্মোচনের জন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে। লোয়ার কুতেনেই ব্যান্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কিছু অগভীর কবর যেগুলো মাত্র ৩-৪ ফিট গভীর সেখানে অবশিষ্টাংশ পাওয়া গেছে।

১৯১২ সাল থেকে ১৯৭০ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত ক্যাথলিক চার্চই পরিচালনা করতো সেন্ট ইউজেন। আদিবাসী যুবকদের জোর করে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে উনিশ এবং বিশ শতাব্দীতে কানাডা সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত এবং ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত ১৩০ টিরও বেশি বাধ্যতামূলক বোর্ডিং স্কুলগুলির মধ্যে এটি একটি ছিল।

অন্তত ১০০ লোয়ার কুতেনেই ব্যান্ডকে সেখানে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়েছিলো। কিন্তু একাকাম কবরস্থান মাঠে পাওয়া অবশিষ্টাংশগুলো ১৮৬৫ সালের দিকের। সমাধিস্থলগুলি কাঠের ক্রস দিয়ে চিহ্নিত করা হত যা কয়েক বছর ধরে ভেঙে পড়েছিল।

স¤প্রদায়টির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব কারণেই এই চিহ্নহীন কবরগুলি সেন্ট ইউজিন আবাসিক বিদ্যালয়ে পড়া শিশুদের কিনা তা চিহ্নিত করা কঠিন হেেয় পড়ছে।

কানাডায় চলমান আবাসিক স্কুলগুলির উত্তরাধিকার খোঁজার মধ্যেই এই খবর পাওয়া গেলো। গত মে মাসে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার কামলুপসে এমন এক অচিহ্নিত কবরে ২১৫ আদিবাসী শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। গত সপ্তাহে কাউয়েসেস ফার্স্ট নেশনের নেতারা বলেন, সাসকাচেওয়ানের আরেকটি স্কুলের জায়গায় ৭৫১ টি মরদেহ পাওয়া গেছে, যাদের বেশিরভাগই শিশু।

গতকাল (বুধবার) কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেন, এসব আবিস্কার আদিবাসীরা যে ঐতিহাসিক এবং চলমান অবিচারের মুখোমুখি হয়েছে সেগুলি প্রতিফলিত করতে আমাদের বাধ্য করেছে। কানাডা দিবস একটি দিন যেদিন আমরা উৎসব করি। কিন্তু এদিনটা আমাদের সবার কাজে প্রতিফলিত করতে পারি না, কিন্তু সেটা হওয়া উচিত।

MFH/MSI

এই বিভাগের আরো খবর

ছাইয়ে ঢেকে গেছে ক্যানারি দ্বীপের আকাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: টানা পাঁচদিন ধরে...

বিস্তারিত
জাতিসংঘে তালেবানের সমালোচনায় জার্মানি    

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ...

বিস্তারিত
অক্টোবরে বাইডেন-ম্যাক্রো বৈঠক 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ত্রিদেশীয়...

বিস্তারিত
মিয়ানমারের চিন রাজ্যে সংঘর্ষ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারের চিন...

বিস্তারিত
বিশ্বে ৭০ লাখ মানুষের মৃত্যু’র কারণ বায়ুদূষণ 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবছর বিশ্বে...

বিস্তারিত
আগুন দিয়ে মাছ শিকার !!  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: একশ’বছর ধরে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *