বিখ্যাত ব্যক্তিদের নামে যেসব খাবার

প্রকাশিত: ০৮:৪৬, ১৮ জুন ২০২১

আপডেট: ০৮:৪৬, ১৮ জুন ২০২১

অনলাইন ডেস্ক: ক্ষুধা নিবারণ করার জন্য আমরা নানা ধরনের খাদ্য খেয়ে থাকি। অনেকেই ম্যাগি নুডুলস বানিয়ে খেয়ে  নেন। আবার ঝটপট মাংস, সবজি, সস মিশিয়ে সিজার সালাদ বানিয়ে খিদে মেটান অনেকে।

ম্যাগি বা সিজার সালাদের নামের পেছনের গল্পটা কি জানেন? হয়তো অবাক হবেন এসব খাবারের নামকরণ করা হয়েছে বিভিন্ন ব্যক্তির নামে।

ম্যাগি
চটজলদি রেঁধে খাওয়া যায় এমন খাবার হিসেবে ম্যাগির জনপ্রিয়তার ধারেকাছে কোনো খাবার আসতে পারবে না। এই ম্যাগি নামটা এসেছে জুলিয়াস মাইকেল জোহানেস ম্যাগির নাম থেকে। কারাখানার শ্রমিকদের জন্য ঝটপট তৈরি করা যায় এমন কোনো স্বাস্থ্যকর খাবারের কথা ভেবে ছিলেন তিনি। আর সেই ভাবনা থেকেই ১৮৮৬ সালে ম্যাগি স্যুপ আর প্রি-কুকড ফুড বানিয়ে সাড়া ফেলে দেন তিনি।

নাচোস
জনপ্রিয় মেক্সিকান খাবার নাচোস ইদানিং আমাদের দেশেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মুগ ডাল আর ময়দা মিশিয়ে মচমচে করে ভাজা চিপসের সাথে পনির, মেক্সিকান ঝালহীন মরিচ আর টক-মিষ্টি সস দিয়ে তৈরি খাবারটিকে ভেতো বাঙালি বেশ সাদরেই গ্রহণ করেছেন। তবে নাচোসের নামের পেছনে আছে বিখ্যাত এক শেফের নাম।

১৯৪৩ সালে মেক্সিকান শেফ ইগনাশিও আনায়ার নামে নামকরণ হয়েছে নাচোস। আনায়ার ডাকনাম ছিল নাচোস। তার এই ডাকনামের অনুকরণেই এই অসাধারণ স্বাদের খাবারের নাম হয়ে যায় নাচোস।

টুন্ডে কে কাবাব
লখনউয়ের নবাব ওয়াজিদ আলীর জন্য তৈরি হয়েছিল টুন্ডে কে কাবাব। এই কাবাব এতোই নরম, তুলতুলে যে মুখে দিলেই গলে যাবে। কারণ দন্তহীন নবাব যে কাবাব চিবিয়ে খেতে পারবেন না! অনিয়ন্ত্রিত জীবনের জন্য অল্প বয়সেই দাঁত হারিয়েছিলেন নবাব। তাই নবাবের জন্য মাংসে ১৬০ ধরনের মশলা মাখিয়ে বিশেষ উপায়ে নবাবের খাস রাঁধুনী হাজি মুরাদ আলী আবিষ্কার করেন এই কাবাবের। হাজি মুরাদ আলীর নামেই ছড়িয়ে পড়ে এই কাবাবের সুখ্যাতি।

সিজার সালাদ
সিজার সালাদ অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। ইতালি থেকে আমেরিকায় পাড়ি গিয়ে বেশ কয়েকটা রেস্টুরেন্ট খুলেছিলেন সিজার কারদিনি। এই সালাদ আবিষ্কারের পেছনের কাহিনী কম চমকপ্রদ নয়।

১৯২৪ সালের ঘটনা।বন্ধের সময় কয়েকজন মান্যগণ্য অতিথি আসেন সিজারের রেস্টুরেন্টে। ততক্ষণে রেস্টুরেন্টের খাবার প্রায় শেষ। বুদ্ধি করে সিজার রান্নাঘরে বেঁচে যাওয়া রান্না করা মাংস, সবজি আর সস দিয়ে এক ধরনের সালাদ বানিয়ে দেন অতিথিদের। খেয়ে সিজারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন অতিথিরা। এভাবেই জন্ম হয়সিজার সালাদের।

ব্লাডি মেরি
১৯২১ সালে প্যারিসের একটি বারে ভদকা, টমেটোর জুস দিয়ে দারুণ লাল রঙের ককটেল তৈরি করে ফেললেন ফেরনো পেতিওঁ। কিন্তু ককটেলের নাম কী রাখবেন তা ভেবে পাচ্ছিলাম না তিনি। তখন এক যুবক ইংল্যান্ডের রানি প্রথম মেরির নামে ওই ককটেলের নাম দিলেন ব্লাডি মেরি।
 

AR/KHR

এই বিভাগের আরো খবর

মাংসের টক-ঝাল-মিষ্টি আচার

অনলাইন ডেস্ক: আচার খেতে কে না পছন্দ...

বিস্তারিত
কলিজার বারবিকিউ কাবাব তৈরির রেসিপি

অনলাইন ডেস্ক: গরু বা খাসির কলিজা খেতে...

বিস্তারিত
যেসব খাবার ফ্রিজে রাখা যাবে না

অনলাইন ডেস্ক: খাবার সতেজ রাখার জন্য...

বিস্তারিত
কলিজার সিঙ্গারা বানাবেন যেভাবে

অনলাইন ডেস্ক: মজাদার কলিজার সিঙ্গারা...

বিস্তারিত
গরুর মাংসের মুঠো কাবাব 

অনলাইন ডেস্ক: ঈদে সুস্বাদু সব কাবাব...

বিস্তারিত
ব্রণ সারাতে করণীয় 

অনলাইন ডেস্ক: তৈলাক্ত ত্বক ব্রণ হওয়ার...

বিস্তারিত
মজাদার মাটন সুখা

অনলাইন ডেস্ক: আসছে কোরবানির ঈদ।...

বিস্তারিত
গরুর মাংসের কোরমা 

অনলাইন ডেস্ক: কোরবানীর ঈদে মাংসের পদই...

বিস্তারিত
আঁচিল দূর করার প্রাকৃতিক উপায়

অনলাইন ডেস্ক: আঁচিল মূলত এক ধরনের...

বিস্তারিত
বাসায় রাঁধেন মেজবানি মাংস 

অনলাইন ডেস্ক: অনেকে মেজবানি মাংস খুব...

বিস্তারিত
ঝটপট তৈরি করুন চিংড়ি স্যান্ডউইচ

অনলাইন ডেস্ক: চিংড়ি দিয়ে তৈরি যেকোনো...

বিস্তারিত
দুধের সাথে রসুন খাওয়ার উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক: রসুনের স্বাস্থ্য...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *