‘মাতৃভাষার অপমান কোনো জাতি সহ্য করতে পারে না’

প্রকাশিত: ১০:৪৪, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১২:৩৬, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রীতা নাহার: একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা। এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। তাই এবার ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু মুজিবের ভূমিকা ও অংশগ্রহনের ঐতিহাসিক অধ্যায় নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ বিশতম পর্ব। 

১৯৫২ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নিজের মুক্তির দাবিতে সরকারের কাছে দরখাস্ত পাঠান শেখ মুজিবুর রহমান। তাতে বলা হয়, ১৫ই ফেব্রুয়ারির মধ্যে মুক্তি দেয়া না হলে, ১৬ই ফেব্রুয়ারি থেকে অনশন ধর্মঘট শুরু করবেন।

এর আগেই হাসপাতালে দেখতে আসা ছাত্রদের মাধ্যমে তার অনশন এবং ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের নির্দেশ দিয়ে রাখেন শেখ মুজিব। সামান্য কয়েকটি জেলা ছাড়া দেশের প্রতিটি এলাকাতেই ২১শে ফেব্রæয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কেননা সেদিনই বসার কথা ছিল পূর্ব বাংলার আইনসভা। 

বঙ্গবন্ধু তার ডায়রিতে লেখেন, “১৯৪৮ সালে ছাত্ররাই এককভাবে বাংলা ভাষার দাবির জন্য সংগ্রাম করেছিল। এবার আমার বিশ্বাস ছিল, জনগন এগিয়ে আসবে। কারণ জনগণ বুঝতে শুরু করেছে যে, বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা না করতে পারলে তাদের দাসত্বের শৃঙ্খল আবার পড়তে হবে। মাতৃভাষার অপমান কোনো জাতি সহ্য করতে পারে না।”

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *