ভাষার দাবিতে আন্দোলনে বড় শক্তি ছিলো আওয়ামী লীগ

প্রকাশিত: ১০:১৯, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১১:০৩, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১

রীতা নাহার : একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতার জন্য আন্দোলন-সংগ্রামের গোড়াপত্তন হয়েছিল বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে। স্বাধীনতা সংগ্রাম ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেই ভাষা আন্দোলনে ছিলেন একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী তরুণ ছাত্র নেতা। এ বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী। তাই এবার ভাষার মাস ফেব্রুয়ারিতে ভাষা আন্দোলনে বঙ্গবন্ধু মুজিবের ভূমিকা ও অংশগ্রহনের ঐতিহাসিক অধ্যায় নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ পনেরতম পর্ব। 

১৯৪৯ সালের শেষ ভাগে রাষ্ট্রভাষার আন্দোলন শুধু ভাষা কেন্দ্রীক না থেকে একটি রাজনৈতিক সংগ্রামে পরিণত হয়। সেসময় সরকার ও মুসলিম লীগের বিপরীতে বিরোধী শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় আওয়ামী লীগ ও তার ছাত্র সংগঠন। তবে, ভাষার দাবিকে এগিয়ে নিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছিলো ছাত্ররাই।

এসময়, প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান গণতন্ত্রের কথা বললেও তিনি চাইতেন না যে কোন বিরোধী দল গড়ে উঠুক। বঙ্গবন্ধু তার অসামপ্ত আত্মজীবনীতে লেখেন, “তাঁর (অর্থাৎ লিয়াকত আলী খানের) সরকারের নীতির কেউ সমালোচনা করুক তাও পছন্দ করতেন না। লিয়াকত আলী খান ঘোষণা দেন, যে আওয়ামী লীগ করবে তাকে নিঃশেষ করে দেয়া হবে (যো আওয়ামী লীগ কারেগা উসকো শের হাম কুচাল দেগা)। এমনকি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে উদ্দেশ্য করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিায়কত আলী খান বলতেন “ভারত কুকুর লেলিয়ে দিয়েছে।”

এসময়, পর্যায়ক্রমে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের অবস্থা পরস্পর বিরোধী হতে থাকে।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *