কিশোরীদের ক্যান্সার প্রতিরোধে টিকা দেয়া শুরু

প্রকাশিত: ০২-১০-২০২৩ ০৯:৫৪

আপডেট: ০২-১০-২০২৩ ২১:১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে হিউম্যান পাপিলোমা ভাইরাস (এইচপিভি) টিকাদান ক্যাম্পেইন কর্মসূচির শুরু হচ্ছে আজ। বিনামূল্যে সরকার এই টিকা দেবে। 

আজ সোমবার (দোসরা অক্টোবর) বেলা ১১টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) উদ্যোগে জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে (নিপসম) এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

প্রাথমিকভাবে ঢাকায় ২৩ লাখ শিক্ষার্থীকে এই টিকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই)। 

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ঢাকা বিভাগে এইচপিভি টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হতে যাচ্ছে। এ কর্মসূচি সফল করতে বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর আগে গত জুলাইয়ে দেশের বিভিন্ন স্কুল থেকে কিশোরীদের তথ্য নেওয়া হয়।

প্রথম পর্যায়ে ঢাকা বিভাগের জেলা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভায় অবস্থিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির কিশোরী শিক্ষার্থীদের স্ব-স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের বিদ্যমান ইপিআই’র স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এক ডোজ করে মোট ২৩ লাখ ডোজ টিকা দেওয়া হবে।

ইপিআই’র দেওয়া তথ্যমতে, বাংলাদেশে নারীদের ক্যানসার জনিত মৃত্যুর মধ্যে জরায়ুমুখ ক্যান্সার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। এইচপিভি টিকা জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ করে। পঞ্চম থেকে নবম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত ছাত্রী অথবা ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানবহির্ভূত কিশোরীদের জন্য এই টিকা অধিকতর কার্যকর। জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধে এইচপিভি টিকার একটি ডোজই যথেষ্ট। এইচপিভি টিকা বিশ্বব্যাপী পরীক্ষিত, নিরাপদ ও কার্যকর।

 

FR/Bodiar