ঢাকা, বুধবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৪ আশ্বিন ১৪২৫

2018-09-19

, ৮ মহাররম ১৪৪০

পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনা পটুয়াখালী ও বরগুনায়

প্রকাশিত: ০৯:৩৭ , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ আপডেট: ০৯:৩৭ , ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: পাহাড়, সাগর আর সবুজ নিসর্গের অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশ। আছে উপকূলীয় সৌন্দর্য, যা পর্যটনের জন্য অপার সম্ভাবনার স্থান। এমনই এক জায়গা পটুয়াখালীর সোনারচর।

সাগরমাঝে জেগে ওঠা এই চরের সবুজ বৃক্ষরাজি আর বন্য পশু-পাখি আকর্ষণ করে ভ্রমণপ্রিয় মানুষকে। অথচ এতো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য থাকার পরেও পর্যটনের পুরো সম্ভাবনা কাজে লাগানো যায়নি পরিকল্পনা ও অবকাঠামো উন্নয়নের অভাবে।

পটুয়াখালীর রাঙাবালী উপজেলার চরমন্তাজ ইউনিয়নে বঙ্গোপসাগরের মাঝে জেগে ওঠা ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট বা বাদাবনে ভরা এই সোনার চর। দু হাজার হেক্টর আয়তনের এ বনে আছে প্রায় ১৫ প্রজাতির গাছ, সহস্রাধিক মায়া হরিণ, হাজারো বুনো মহিষ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।

বনের মধ্য থেকে ছোট-বড় খালগুলো এখানে এসে মিশেছে সাগরে। খালের দু’পাশে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ পশু-পাখি বিমোহিত করে প্রকৃতিপ্রেমীদের। শীতের সময় অতিথি পাখিদের অভয়াশ্রম হিসেবেও পরিচিতি পাচ্ছে এই চর।

সোনার চরের বিট কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাই জানান, পর্যটকদের আকৃষ্ট করার মতো যাবতীয় সৌন্দর্যের সবটাই আছে এই সোনার চরে। কিন্তু সোনার চরে পর্যটকদের যাতায়াতের সুবিধা না থাকায় পর্যটকদের কিছুটা বিড়ম্বনায় পড়তে হয়।

জেলা প্রশাসক ড. মো. মাছুমুর রহমান বলেন, পর্যটনের কথা মাথায় রেখে ব্যবসা-বাণিজ্য গড়ে তুলতে সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রেষণা দেয়া হবে।

উপকূলের আরেক পর্যটন সম্ভাবনাময় জেলা বরগুনা। সদর উপজেলা, তালতলী এবং পাথরঘাটায় রয়েছে সমুদ্রসৈকত। তালতলীতে বৈচিত্র্যময় রাখাইন সম্প্রদায়ের বাস। আছে নানা প্রজাতির বন্যপ্রাণী আর পাখপাখালি সমৃদ্ধ সোনাকাটা ইকোপার্ক।

জেলা প্রশাসক মোখলেসুর রহমান বলেন, পটুয়াখালীর পাশাপাশি বরগুনাতে যদি যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা দিয়ে একটি পর্যটনবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলা যায়, তবে এখানে অসংখ্য পর্যটকের সমাগম হবে।

সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে উপকূলীয় এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যময় স্থানগুলোকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হলে সমৃদ্ধ হবে দেশের পর্যটন খাত।
 

এই বিভাগের আরো খবর

সাংবাদিক রইসুল বাহার আর নেই

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: মুক্তিযোদ্ধা-সাংবাদিক আ ক ম রইসুল হক বাহার আর নেই। মঙ্গলবার- ১৮ সেপ্টেম্বর দিনগত রাত ১১টায় হৃদযন্ত্রের ক্রীড়া বন্ধ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is