ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-16

, ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

উদ্ভিদকুলের বিলুপ্তি ঠেকাতে সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ

প্রকাশিত: ১০:০৩ , ১৮ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ১০:০৩ , ১৮ মার্চ ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশের বিলুপ্ত হওয়া উদ্ভিদ প্রজাতির সংখ্যা গবেষকদের জানা না থাকলেও তারা বলছেন, গত দু’শ বছরে ৬৩ প্রজাতির উদ্ভিদ বিলুপ্তির পথে রয়েছে। আর, ৪’শ ৮৬ প্রজাতির উদ্ভিদ আছে বিলুপ্তির হুমকিতে। স্বস্তির বিষয় এই, বিলুপ্তির হাত থেকে দেশের উদ্ভিদকুল রক্ষা করতে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নেয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ।

বাংলাদেশে রয়েছে হাজার হাজার সপুস্পক, ফলজ এবং বাহারী প্রজাতির বৃক্ষ ও লতা গাছের বিশাল ভান্ডার রয়েছে বাংলাদেশে, যা অমূল্য সম্পদ হিসেবেই বিবেচিত। দেশের উদ্ভিদ বিজ্ঞানীদের নিরলস সাধনায় এই সম্পদের অনেকাংশের পরিচিতি যেমন উন্মোচিত হয়েছে, আবার গহীন বনের অনেক প্রজাতির উদ্ভিদের পরিচয় আজও শনাক্ত করা বাকি আছে।

একটি গাছ কাটবার আগে, কেউ হয়তো এর নেতিবাচক ফল বা বিরূপ প্রভাবের কথা ভাবে না। এই বোধের অভাব থেকেই হয়তো নির্বিচারে দেশের সবুজ বৃক্ষরাজি অপরিকল্পিত ভাবে বিনাশ করতে সংকোচ বোধ করেন না অনেকেই।

গবেষকরা জানান, মহাবিপন্ন গাছ হিসেবে যে ৬৩ প্রজাতিকে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেগুলো সারাদেশে এক থেকে দশটির মতো খুজে পাওয়া যায়। আবার সবাই এগুলোর সঙ্গে পরিচিতও নয়। যেমন- বৈলাম, ইচরি, পিতরাজ, রয়না, কাইনজাল, লউবাদি, বন-শিমুল, পাহাড়ি-শিমুল,  মুস ও কুমভি।

বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ আছে ২’শ ২৬ প্রজাতির। বিলুপ্তি ও বিপন্ন হয়ে যাওয়ার কারণ হিসেবে গবেষকরা বহুবিধ ঘটনা ও বিষয়কে বিবেচনায় নেন।

বন বিভাগ ও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে ১’শ ৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি বিপন্ন ও বিলুপ্ত প্রায় গাছগুলোর অস্তিত্ব ধরে রাখতে এরই মধ্যে প্রায় ৪০টি উদ্যান গড়ে তোলাসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।  পার্বত্য চট্টগ্রামের বৈদ্য সম্প্রদায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বা প্রায় বিলুপ্ত কিংবা মহাবিপন্ন বিভিন্ন প্রজাতির ঔষধি গাছের চাষের মাধ্যমে সেগুলোকে সংরক্ষণের এক দারুণ উদ্যোগ নিয়েছেন বেশ কয়েক বছর ধরে।

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is