সাড়ে ৪ বছরে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ২৫ হাজার কিশোর-কিশোরী পুনর্বাসিত আপডেট: ০৬:২২, ১৫ মার্চ ২০১৭

গত সাড়ে চার দশকে দেশের তিনটি কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে সংশোধনের মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসিত হয়েছে ২৫ হাজারেরও বেশি কিশোর-কিশোরী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে একথা জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট আইন অনুসরণ করে কিশোর-কিশোরীদের অপরাধের সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ার পর শাস্তি না দিয়ে তাদের সংশোধন করার কাজটিই করে যাচ্ছে দেশের কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্রগুলো। 

দেশের কিশোর-কিশোরীদের মাঝে অপরাধ প্রবণতা রোধে ১৯৭৮ সালে সর্বপ্রথম গাজীপুরের টঙ্গিতে সরকারিভাবে স্থাপন করা হয় কিশোর সংশোধনাগার। যা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়ে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। দেশের শিশু আইন অনুযায়ী অপরাধের বিচার না করে সংশোধনের মাধ্যমে কিশোর-কিশোরীদের বিশেষভাবে  পূর্নবাসনের কাজ করছে কিশোর কেন্দ্রগুলো।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত টঙ্গির প্রতিষ্ঠান থেকে পূর্নবাসিত হয়েছে বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত ১৭ হাজার ১৫৩ জন কিশোর। এই সংশোধনাগারের মতো  গাজীপুরের কোনাবাড়িতে কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে এক হাজার ৮৭২জন কিশোরী ও যশোরে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে ৬৫০০জন কিশোর সংশোধনের মাধ্যমে পূর্নবাসিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

কিশোর-কিশোরীদের অপরাধের সঙ্গে জড়িত হওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায়, আরো সর্তকতার সাথে সংশোধনী প্রক্রিয়া গ্রহণ করা উচিত বলে মত দেন কিশোর-কিশোরীদের মন ও চিন্তার জগৎ নিয়ে গবেষণা করেন এমন চিকিৎসক। 

শুধু তাই নয়, এ সংশোধনী প্রক্রিয়ায় তাদের মানবাধিকার ও সামাজিক অধিকার রক্ষা হচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন শিশু কিশোর অধিকার নিয়ে আন্দোলনরত কর্মীরা।

কিশোর-কিশোরীদের অপরাধের সঙ্গে জড়িত হয়ে পড়ার প্রবণতা কমিয়ে আনতে ঘরে বাইরে সচেতনতা তৈরীসহ শহর- গ্রামে সর্বস্তরে  সামজিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন সমাজ কর্মীরা।

 

 

Publisher : .