বঙ্গবন্ধুর রাজনীতির ফসল বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী

প্রকাশিত: ১০:৪৬, ০১ ডিসেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৪:০৯, ০১ ডিসেম্বর ২০২১

জয়দেব দাশ: বিরল আত্মত্যাগে একাত্তর সালে বিশ্ব মানচিত্রে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটে। আধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত পাকিস্তানী বাহিনীর বর্বরতম নৃশংসতার কাছে মাথা নত করেনি বাংলাদেশের রিক্ত হস্ত স্বাধীনতাকামী নারী-পুরুষ। অগণিত সুন্দর স্বপ্নের মালাগাঁথা সোনার বাংলা গড়তে, নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে বিজয় হয় একাত্তরের ১৬ই ডিসেম্বর। অকুতোভয় বাঙালির কাছে পরাজয় মেনে নেয় পাকিস্তানী শত্রুরা, বিজয় হয় বাংলাদেশের। এবারের বিজয়ের মাস স্বাধীনতা জয়ের পঞ্চাশ বছর। বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীর এই মাসে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রত্যাশা, প্রাপ্তি, অপূর্ণতা, অর্জন ও সম্ভাবনা নিয়ে ধারাবহিক ১৬ প্রতিবেদনের প্রথম পর্ব।

বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি চির বিস্ময়, ছিল হেমিলনের বাঁশির মত। তাঁর ডাকে নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে দেশ স্বাধীনের জন্য ছুটেছে সকল শ্রেনী-পেশার জনগণ। সেই রাজনীতির ফসল বাংলাশের এখন সুবর্ণ জয়ন্তী। দেশের পঞ্চাশ বছরের রাজনীতি বিশ্লেষণ করেছেন কয়েকজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক। যাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধেও আছে অবদান।  

দেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতি হোচট খেয়েছে বারবার, ঘটেছে বহু অনাকাঙ্খিত, অপ্রত্যাশিত ঘটনা। যা মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নের বাংলাদেশকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।  

রাজনীতির গর্ব ও ইতিবাচক উন্নয়নের চাইতে নেতিবাচক চর্চা, মানসিকতা ও বহু দীর্ঘশ্বাস নতুন প্রজন্মকে ধারাবাহিকভাবে বিভ্রান্ত করেছে।  

জীর্ণ রাজনীতির জমাট দীর্ঘশ্বাস সরিয়ে গৌরবের প্রাঞ্জল রাজনীতি ফিরিয়ে আনার জন্য বিজয়ের সুবর্ণ জয়ন্তীতে এই বর্ষিয়ান রাজনীতিকদের রয়েছে নিজস্ব চিন্তা ও পরামর্শ।

JCD/BDB

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...