'বেতারে প্রথম ভাষণ দেন তাজউদ্দীন'

প্রকাশিত: ০৮:৩২, ২৩ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৩:৪৩, ২৩ নভেম্বর ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৬’শ ৭ তম প্রতিবেদন।

একাত্তর সালের নভেম্বর মাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা করা বাংলাদেশের জন্য ঘটনাবহুল। প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ সব নতুন নতুন ঘটনায় মুক্তিযুদ্ধের দৃশ্যপট পাল্টাতে থাকে।

১৯৭১ সালের ২৩শে নভেম্বর বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে পত্র দেয় মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকার। চিঠিতে স্বাক্ষর করেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ।

এদিন, মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচালিত স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমে ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন। বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের নিকট গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা একটিই, আর তা হল পূর্ণ স্বাধীনতা। সকলে প্রস্তুত থাকুন। নিজেদের পরাজয় রুখতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে কোন সময়, নিজেদের শেষ আক্রমণ চালাতে পারে।” (সূত্রঃ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র)

মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের লড়াইয়ের তীব্রতা আঁচ করে, একাত্তরের এদিন, দখলদার পাকিস্তানের সামরিক সরকার প্রধান, বাঙালি নিধনযজ্ঞের কুশীলব প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান নিজের দেশে জরুরী অবস্থা ঘোষণা করেন।

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...