বিপদ বুঝতে পেরে জাতিসংঘের দ্বারস্থ হয় ইয়াহিয়া

প্রকাশিত: ১০:৩৭, ২১ নভেম্বর ২০২১

আপডেট: ০৩:০৬, ২১ নভেম্বর ২০২১

কাজী বাপ্পা: জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর বছর ছিল ২০২০। তাঁর শততম জন্মবার্ষিকীর দিন, ১৭ই মার্চ থেকে শুরু হয়েছে মুজিববর্ষ উদযাপন, যা চলছে এই স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরও। স্বাধীন বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু একাত্মা। তিনিই একাত্তরের ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তাঁর ডাকেই মানুষ স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। শেখ মুজিবুর রহমানের বিরল ঐতিহাসিক নেতৃত্বের সেই উত্তাল আন্দোলন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলো নিয়ে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছরজুড়ে বৈশাখী সংবাদের বিশেষ ধারাবাহিক আয়োজন- যাঁর ডাকে বাংলাদেশ। আজ ৬’শ ৫ তম প্রতিবেদন। 

মুক্তিযুদ্ধরত বাংলাদেশের মুক্তিবাহিনী এবং সশস্ত্রবাহিনী যৌথভাবে দখলদার পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে একাত্তর সালের ১১ই অক্টোবর। তবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর এই দুই বাহিনী যৌথ লড়াইয়ে রণাঙ্গনে বড় সাফল্য পায়।

একাত্তরের এদিন, ভারতের কলকাতা থেকে প্রকাশিত বাংলা দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়, “যশোরের চৌগাছায় মুক্তিবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ যুদ্ধে পাকবাহিনীর ১৬টি ট্যাংকের মধ্যে ১১টি ধ্বংস ও ১০০ জন পাকসেনা নিহত এবং প্রতিরক্ষা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পাকসেনারা চৌগাছা ছেড়ে যশোর ক্যান্টনমেন্টে আশ্রয় নিলে বাংলাদেশি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা তাদের ঘাঁটিতে আক্রমণ চালায়।” (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা)

নিজেদের সমূহ বিপদ বুঝতে পেরে, দখলদার পাকিস্তানের সামরিক সরকার প্রধান, প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতিসংঘের কাছে জরুরি তারবার্তা পাঠান। সেখানে ভারতের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে ইয়াহিয়া লেখেন, “ভারতীয় সেনাবাহিনীর ১২টি ডিভিশন পূর্ব পাকিস্তানের চারটি সেক্টরে আক্রমণ শুরু করেছে। জাতিসংঘের হস্তক্ষেপ ছাড়া এই সংকট সমাধান সম্ভব নয়।” (সূত্রঃ যুগান্তর কলকাতা)
 

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *

loading...
loading...