ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮, ২ শ্রাবণ ১৪২৫

2018-07-16

, ৩ জিলকদ্দ ১৪৩৯

বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রাম মহানগরীর এক-তৃতীয়াংশ সড়ক

প্রকাশিত: ০১:৩৪ , ১২ আগস্ট ২০১৭ আপডেট: ০১:৩৪ , ১২ আগস্ট ২০১৭

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: টানা বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম মহানগরীর এক-তৃতীয়াংশ সড়ক। ছোটবড় গর্ত ও খানাখন্দের কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে যান চলাচল। এসব সড়কে চলতে গিয়ে অসহনীয় দুর্ভোগ পোয়াচ্ছেন নগরবাসী।

আপাতত জরুরি ভিত্তিতে কিছু মেরামত কাজ করা হচ্ছে। বর্ষার পর বড় ধরনের মেরামত শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সিটি মেয়র আ. জ. ম. নাছির উদ্দিন।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার অনেক সড়কেরই এখন বেহাল দশা । কাঁচা-পাকা মিলিয়ে সিটি করপোরেশনের সড়ক রয়েছে ১,১৭৪ কিলোমিটার। 

সিটি করপোরেশনের হিসাবে,  সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতায় প্রধান সড়ক ও অলিগলি মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার সড়ক।

এ বছরই সবচেয়ে বেশি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিটি করপোরেশনের প্রকৌশল বিভাগ।

বন্দরনগরীর আগ্রাবাদ, এক্সেস রোড, বড় পোল, হালিশহর, ইপিজেড, জিইসি মোড়, কাপ্তাই রোডসহ নগরীর অনেক প্রধান সড়কে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানাখন্দ।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম ওয়াসাসহ বেশ কয়েকটি সেবা সংস্থা উন্নয়ন কাজের জন্য খুঁড়ে রেখেছে অনেক রাস্তা। ঝুঁকিপূর্ণ এসব সড়কে চলতে ভোগান্তি পোয়াচ্ছেন যাত্রী, চালক ও পথচারীরা।

একজন পথচারী জানান, এমন রাস্তা দিয়ে চলতে তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে।

আরো একজন পথচারী মন্তব্য করেন, বিভিন্ন সেবা সংস্থার উন্নয়ন কাজই শেষ হয় না। এক কাজ শেষ হতে-না হতেই শুরু হয় আরেক কাজ। ফলে রাস্তায় খানাখন্দ থাকেই।

সিএনজি চালক জানান, পথচারীদের যেমন দুর্ভোগ, তাদেরও সেই একই দুর্ভোগ পোয়াতে হয়।

কেবল সড়ক মেরামতের জন্য সিটি করপোরেশন প্রতি বছর ব্যয় করে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা। তার সুফল নগরবাসী কতটা পাচ্ছে, তা এসব ঝুঁকিপূর্ণ সড়কই বলে দিচ্ছে।

নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী আলী আশরাফ জানান, সড়ক মেরামতে মান যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করা উচিত, বিভিন্ন কারণে সে-অনুসারে মান নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে না।

কাজের মান বাড়ানোর পাশাপাশি পদ্ধতি নিয়েও ভাবতে হবে বলে মনে করেন তিনি।

বর্ষা মৌসুম শেষ হলেই পুরোদমে মেরামত কাজ শুরু করার কথা জানিয়েছেন নগরপিতা আ. জ. ম. নাছির উদ্দিন।।

সিটি মেয়র বলেন, দীর্ঘমেয়াদি পরকিল্পনার পাশাপাশি অনেকগুলো প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। আগস্টের পর বৃষ্টিপাত না হলে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে।

অপরিকল্পিত রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি বন্ধ ও রাস্তা মেরামতে সরকারি সকল সংস্থা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে-- এমনটাই প্রত্যাশা নগরবাসীর।
 

এই বিভাগের আরো খবর

পাবনায় বাঁশের সাঁকো দিয়ে ৫০ হাজার মানুষের চলাচল

পাবনা প্রতিনিধি: পাবনা সদরের কামারডাংগা-চরপাড়া সংলগ্ন ছোট নদীর উপরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করে হাজারো মানুষ। আশপাশের ১০ গ্রামের...

সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি

ডেস্ক প্রতিবেদন : সারাদেশে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে। লালমনিরহাট, নীলফামারি, কুড়িগ্রাম, জামালপুর ও সিরাজগঞ্জে বন্যার পানি...

চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকে ধর্মঘট স্থগিত

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : চট্টগ্রামে বেসরকারি হাসপাতাল মালিক সমিতির ডাকা ধর্মঘট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। দুপুরে, বেসরকারি হাসপাতাল...

রোগীদের জিম্মি করা কাম্য নয়- বিএমএ কেন্দ্রীয় নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রোগীদের জিম্মি করে দাবি আদায় কোনভাবেই কাম্য নয় বলে জানিয়েছেন জাতীয় স্বাস্থ্য অধিকার আন্দোলন ও বিএমএ কেন্দ্রীয় নেতারা।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is