ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৭, ১ পৌষ ১৪২৪, ২৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৯
শিরোনামঃ
চির নিদ্রায় শায়িত চট্টল বীর মহিউদ্দিন চৌধুরী মহিউদ্দিন চৌধুরীর মৃত্যুতে চট্টগ্রামে শোকের ছায়া মানুষের অন্তরে মহিউদ্দিন চৌধুরী জননেতা হিসেবেই বেঁচে থাকবেন স্বপ্নের ফেরিওয়ালা মহিউদ্দিন চৌধুরী মহান বিজয় দিবস উদযাপনে দেশজুড়ে নানা আয়োজন  সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বারবার হোচট খেয়েছে বাংলাদেশ নাটোরে চালু হয়নি কৃষকদের ৫টি শস্য মার্কেট কুমিল্লায় বাস চাপায় নিহত দুই রংপুর সিটি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শেষ মুহূর্তে জমজমাট রাজধানীর বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে দ্বিগুণ টি-টেন ক্রিকেট লিগে কেরেলা কিংসের জয় হাসপাতালে জনবল-শয্যার অভাবে চিকিৎসা বঞ্চিত ঝিনাদহের নিউমোনিয়া আক্রান্ত শিশুরা পূর্ব জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে সৌদি বাদশাহর স্বীকৃতি নির্বাচনের আগে সংস্কারের জন্য ৩১ প্রস্তাবনা চূড়ান্ত  নেপালে নির্বাচনে বামপন্থী জোটের জয় চট্টগ্রামে রেডকিন সমাধিতে রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর শ্রদ্ধা ত্রিদেশীয় ও বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সিরিজের সময়সূচি ঘোষণা রংপুর সিটি নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থীকে সরিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে টাঙ্গাইলে ৩০ কিলোমিটার এলাকায় যানজট  থার্টিফার্স্ট নাইটে উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অনিবন্ধিত স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা জানা নেই সরকারের

প্রকাশিত: ০৬:৫৫ , ১২ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ০৬:৫৫ , ১২ মার্চ ২০১৭

দেশে ১১ হাজারের বেশী নিবন্ধিত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক এবং ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বাইরে অনিবন্ধিত এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা জানা নেই সরকারের। এছাড়া জানা নেই এসব স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রতিষ্ঠান থেকে কী পরিমাণ মেডিকেল বর্জ্য প্রতিদিন তৈরী হচ্ছে। অন্যদিকে, বেশিরভাগ বর্জ্যই অনিরাপদ বর্জ্যই অনিরাপদ ব্যবস্থাপনায় হাত বদল হচ্ছে। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অনুযায়ী প্রত্যেক হাসপাতাল , ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহের জন্য পাঁচ ধরনের পাত্র থাকতে হয়। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য থাকবে হলুদ পাত্রে। তারপর এভাবে লাল, নীল, সবুজ এবং কালো। কিন্তু এই নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা খুঁজে পাওয়া যায় হাতেগোনা কয়েকটি সরকারী বেসরকারী হাসপাতালে। অনেকে অনুমান করেন পচানব্বই শতাংশের বেশী মেডিেিকল বর্জ্যই অনিরাপদ ব্যবস্থাপনায় হাত বদল হয়।

দেশের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সরেজমিন চিত্র বলে দেয় দেশের বাকি সরকারি চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে মেডিকেল বর্জ্যরে ব্যবস্থাপনায় কত বেহাল দশা হতে পারে। নিয়মমাফিক সব রঙেরই পাত্র আছে মেডিকেল বর্জ্য ফেলার জন্য। 
কিন্তু সব ধরনের বর্জ্যই ফেলা হয় শুধু কালো পাত্রে। বাকিগুলো পরে থাকে ফাঁকা। 


ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিতর থেকে বেরোলেই দেখা যাবে বাইরের ডাস্টবিনে সব মেডিকেল বর্জ্যরে এবং সাধারণ বর্জ্যের মাখামাখি। তার পাশাপাশি চলে মেডিকেল বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেয়া স্যালাইনের প্যাকেট, ইনজেকশনের সিরিঞ্জ এবং নানা ধরনের বোতল বিক্রির প্রক্রিয়া। 


হাতেগোনা অল্প কয়েকটি বিলাসবহুল ও দায়িত্বশীল হাসপাতাল ছাড়া বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার করুণ দশা লক্ষ্য করা যায়। দু:খজনক চিত্র ধরা পড়ে ঢাকার চানখারপুলের একটি হাসপাতালে। 


হাতেগোনা অল্প কয়েকটি বেসরকারি সংস্থা ঢাকার বাইরে সঠিক পদ্ধতিতে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার চেষ্টা করে। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রিজম বাংলাদেশ। এই সংগঠন শুধু ঢাকা ও যশোরে কাজ করে। তবু এই দুই শহরে তাদের কাজ প্রতিদিন উৎপাদিত মেডিকেল বর্জ্যের তুলনায় অতি সামান্য।

স্বাস্থ্যখাতে দায়িত্বশীলরা জানান, হাসপাতাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় রাজধানীর সব হাসপাতালের সাথে প্রিজম বাংলাদেশের চুক্তি রয়েছে। তবে, সেটা মানছেনা অনেক প্রতিষ্ঠানই।

এই বিভাগের আরো খবর

স্বাধীনতার ৪৬ বছর

সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগ চান বিশ্লেষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক : নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ধারণাটি অনেক বিস্তৃত ও ব্যাপক, যেই খাত বিজয়ের ৪৬ বছরে অনেক সাফল্যের মাঝেও বড় ম্লান।...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is