ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

2018-11-20

, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০

৪৫ বছরে দেশে গাড়ির ব্যবহার বেড়েছে ৫৩ গুণ

প্রকাশিত: ০৯:০৯ , ১১ মার্চ ২০১৭ আপডেট: ০৯:০৯ , ১১ মার্চ ২০১৭

[বৈশাখী টেলিভিশনের প্রতি মাসের আয়োজন 'সংবাদ উৎসব'-এ জন ও জাতীয় স্বার্থ সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ের ওপর আলোকপাত করে বিস্তারিত সিরিজ প্রতিবেদন সম্প্রচার করা হয়ে থাকে। চলতি মার্চ মাসের সংবাদ উৎসবের অংশ হিসেবে আজ সম্প্রচার করা হচ্ছে বাংলাদেশে গাড়ির বাজারের হালচাল নিয়ে চারটি প্রতিবেদন। বৈশাখী অনলাইন-এ সেগুলোরই লিখিত রূপ প্রকাশ করা হচ্ছে চারটি পৃথক শিরোণামে। এখানে পত্রস্থ হলো প্রথম প্রতিবেদনটি।] 

স্বাধীনতার ৪৫ বছরে গাড়ির ব্যবহার বেড়েছে গড়ে ৫৩ গুণ। ১৯৭২ সালে ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য দেশে গাড়ির মোট সংখ্যা ছিল ৪৬ হাজারের মত। সেই সংখ্যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৫ লাখে। তবে, আমদানি করা গাড়ির মধ্যে মটরসাইকেলের সংখ্যায় বেশি। আর, আমেরিকান, ব্রিটিশ ও জার্মানির গাড়ি এখন আমদানি না হয়ে নতুন নতুন ব্রান্ডের গাড়ি বাজারে আসছে। আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

এখন যেমন রাজধানী ঢাকা শহরসহ দেশের বিভিন্ন নগরীতে চকচকে-ঝকঝকে গাড়ির শো-রুম দেখা যায়, দেশ স্বাধীনের পর অনেক বছর তেমনটা ছিল না। ঢাকার কারো গাড়ি কিনতে হলে যেতে হত চট্টগ্রাম বা মংলা বন্দরে, যেখানে হাতে গোনা অল্প কয়েকজন গাড়ি আমদানিকারক বিক্রির জন্য গাড়ি এনে রাখতো। কিন্তু এক সময় একটি দু’টি করে এখন সারা দেশে গাড়ি আমদানিকারকদের এমনি হাজারেরও বেশি শো-রুম রয়েছে। আর অজানা আছে আরো বেশি। ক্রেতা বেড়েছে বিস্ফোরণের মত।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৭২ সালে দু-তিনটি আমদানিকারক কোম্পানি প্রতি বছর দু থেকে তিন’শটি গাড়ি আমদানি করতো। সেগুলোর সবই ছিল পুরোপুরি নতুন গাড়ি। এখন ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিক ব্যবহারের গাড়ি মিলিয়ে বাজারে যুক্ত হচ্ছে ৭০ হাজারের মত গাড়ি। তবে ৭৭-৭৮ সাল থেকে নতুন গাড়ির পাশাপাশি রি-কন্ডিশন্ড গাড়ির আমদানি শুরু হয়।

সূত্র আরো জানায়, সংখ্যার বিচারে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয় মটরসাইকেল। যার আমদানি গত ৪৪ বছরে বেড়েছে ১০৭ গুণ। এরপর রয়েছে ব্যক্তিগত ব্যবহারের গাড়ি বা প্রাইভেট কার, যা বেড়েছে ২৫ গুণ। বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের গাড়ি বেড়েছে ১৮ গুণ। এক সময় হাতে গোনা কয়েকটি ব্র্যান্ডের গাড়ি আমদানি হতো এখন হয় ৩৫টির মত।

এক সময় আমেরিকান, ব্রিটিশ ও জার্মানীর কিছু নতুন গাড়ি আমদানি হতো দেশে যা এখন একেবারেই হয় না। বরং অনেক নতুন ব্র্যান্ডের গাড়ি বিগত কয়েক বছরে আমদানির তালিকায় যুক্ত হয়েছে; যা কয়েক দশক আগে আমদানি হতো না।

গাড়ি ব্যবসায়ীদের পর্যবেক্ষণ অনুসারে, রি-কািন্ডশন্ড গাড়ি আমদানীর অনুমতি পাওয়ার পর অল্প অল্প করে আমদানি বাড়তে শুরু করলেও এর ব্যাপক বৃদ্ধি ঘটতে শুরু করে ৯০-এর দশকের শুরু থেকে।

 

 

এই বিভাগের আরো খবর

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is