ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-22

, ১৫ রজব ১৪৪০

কক্সবাজারে পাহাড় ধসে ৭ বছরে মারা গেছে ২২০ জন

প্রকাশিত: ০৪:০৬ , ২৬ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৪:০৬ , ২৬ জুলাই ২০১৭

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারে পাহাড় ধসের ঘটনায় বছরের পর বছর বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। গত সাত বছরে পাহাড় ধসের ঘটনায় কক্সবাজারে মারা গেছেন ২২০ জন। দিন দিন এই মৃত্যুর মিছিল কেবলই লম্বা হচ্ছে। তবুও কমছে না পাহাড়ের ঢালে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস।

জেলাটির অন্তত তিন লাখ মানুষ রয়েছেন পাহাড় ধসের শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে। তাদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন বিভিন্ন সময়ে উদ্যোগ নিলেও তা ফলপ্রসু হচ্ছে না। সবশেষ গত সোমবার রাতেও কক্সবাজারে পাহাড় ধসে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।

মধ্যরাতে শহরের লাইট হাউজ এবং রামু উপজেলার মিঠাছড়ি ইউনিয়নের চেইন্দা এলাকায় পাহাড় ধসে মাটিচাপা পড়ে মৃত্যু হয় এ চারজনের।

প্রায় আড়াই হাজার বর্গ কিলোমিটার আয়তনের কক্সবাজার জেলার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ছোট-বড় কয়েক হাজার পাহাড়। এসব পাহাড় কেটে কিংবা পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। এদের সকলেই রয়েছেন মারাত্মক ঝুঁকিতে। এসব স্থানে যেকোনো সময় পাহাড় ধসে ঘটতে পারে ব্যাপক প্রাণহানি।

পাহাড়ে এমন অপমৃত্যু ঠেকাতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় নানা উদ্যোগ নেয়া হলেও তা কাজে আসেনি। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ জায়গায় সরে যেতে মাইকিং করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানও চালানো হয়েছে বেশ কয়েকবার।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পঙ্কজ বড়ুয়া জানান, মাইকিং করে বারবার ঝুঁকিপূর্ণ স্থানের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়া হলেও তারা পুনরায় ফিরে আসে।

এদিকে, বৃষ্টিপাত না থামায় কক্সবাজারে পাহাড় ধসের ঝুঁকি এখনো রয়ে গেছে। গত পাঁচ দিন ধরেই সেখানে থেমে থেমে ভারী বৃষ্টিপাত হচ্ছে, স্থানীয়দের মনে যা বাড়িয়ে তুলেছে পাহাড় ধসের শঙ্কা। 
 

এই বিভাগের আরো খবর

রাজধানীতে হঠাৎ বৃষ্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক: পশ্চিমা লঘুচাপের প্রভাবে রোববার- ১৭ ফেব্রুয়ারি ভোরে রাজধানীতে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে। ভোর ছয়টা থেকেই আকাশ ভারী মেঘে ঢেকে...

গ্যাসের অভাবে রাজধানীতে দুর্ভোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : পূর্ব ঘোষণা ছাড়া সকাল থেকে হঠাৎ করেই গ্যাস নেই সাভার থেকে রাজধানীর আজিমপুর পর্যন্ত এলাকায়। এক নোটিশে তিতাস কর্তৃপক্ষ...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is