উত্তমকুমার, আজও অমলিন ভক্তহৃদয়ে আপডেট: ০৮:৪৫, ২৫ জুলাই ২০১৭

বিনোদন ডেস্ক: উত্তমকুমার। অভিনয়ের জাদুকর বললে মোটেও ভুল বলা হবে না, যিনি উপহার দিয়ে গেছেন অনেক কালজয়ী চলচ্চিত্র। পেয়েছেন 'মহানায়ক' উপাধি।

মহানায়ক উত্তমকুমারের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিলো গতকাল ২৪ জুলাই। ১৯৮০ সালের এ দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান কিংবদন্তী এই অভিনেতা। বাঙালি দর্শকদেরকে তিনি উপহার দিয়েছেন একের পর এক কালজয়ী চলচ্চিত্র। সুচিত্রা সেনের সাথে জুটি বেঁধে আবেগে ভাসিয়েছেন দর্শকদের। মৃত্যুর তিন দশক পরও তাই ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের কাছে তিনি অমলিন।

উত্তমকুমারের আসল নাম অরুণ কুমার চট্টোপাধ্যায়। জন্ম ১৯২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বরে, কলকাতার আহিরিটোলা স্ট্রিটে। প্রথম অভিনীত ছবি ‘মায়াডোর’। তবে তাঁর মুক্তি পাওয়া প্রথম ছবি ‘দৃষ্টিদান’। সেটি ১৯৪৮ সালের ঘটনা। অবশ্য তখনও নায়ক হয়ে ওঠেননি এই মহানায়ক। ১৯৪৯ সালে ‘কামনা’ ছবিতে প্রথম কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেন উত্তম কুমার।

সাফল্য ধরা দেয় আরো পরে, ১৯৫৪ সালে ‘অগ্নিপরীক্ষা’ ছবি দিয়ে। আর সেই ছবিতে নায়িকা ছিলেন সুচিত্রা সেন। যাত্রা শুরু হলো বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় জুটি ‘উত্তম-সুচিত্রা’র। দু’জনে একে একে অভিনয় করলেন ‘সাড়ে চুয়াত্তর’, ‘পথে হলো দেরী’, ‘অগ্নিপরীক্ষা’, ‘শিল্পী’, ‘সাগরিকা’, ‘হারানো সুর’ ও ‘সপ্তপদী’সহ অনেকগুলো ছবিতে। এসব চলচ্চিত্র আজও বাঙালির খুব ভালো লাগার।

মহানায়ককে ঘিরে যে মোহ বিস্তার, যে গুঞ্জরণ, যে কৌতূহল-- সবই শুরু হয়েছিলো ১৯৫৪ সালের সেই সন্ধিক্ষণ থেকে। সে মুগ্ধতা আজও কাটিয়ে উঠতে পারেননি উত্তম-ভক্তরা। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে তা ছড়িয়ে পড়েছে।

তাই তো মৃত্যুর এত বছর পরও শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয় কালজয়ী এই মহানায়ককে। 
 

 

Publisher : .