ভারতের চেয়ে কম দামে টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ: বেক্সিমকো

প্রকাশিত: ১০:১১, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১০:১১, ২৪ জানুয়ারি ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে কেনা তিন কোটি করোনা টিকার প্রথম চালান এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিশেষ বিমানে আগামীকাল সোমবার সকালে মুম্বাই থেকে ঢাকায় আসবে। যাতে রয়েছে ৫০ লাখ ডোজ টিকা। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে তা গ্রহণ করবে এজেন্ট প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিডেট। এরপর সেগুলো টঙ্গিতে কোম্পানিটির বিশেষ সংরক্ষণাগারে রাখা হবে।

টিকার দাম বেশি নেয়া প্রসঙ্গে পাপন বলেন, ভারতের চেয়েও কম মূল্যে টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ। তিনি জানান, ‘ভারত সরকার ৫ ডলারে চুক্তি করে টিকা নিতে। আমরা বলি ৩ ডলার, সিরাম তা মানতে চায় না। পরে আমরা মাঝামাঝি ৪ ডলার প্রস্তাব করি। এর মধ্যে শর্ত দেই ভারত সরকার ৪ ডলারের কম নিলে আমাদেরও কম দামেই দিতে হবে। তবে আমরা ৪ ডলারের বেশি দিবো না। সুতারং ভারত সরকার ৪ ডলারের বেশি দামে টিকা নিলেও আমাদের ৪ ডলারই দিতে হবে’।

পাপন আরো বলেন, ভারত সরকার, বেক্সিমকো ফার্মা সিউটিক্যালস ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে তৃপক্ষীয় যে চুক্তি হয়েছে তাতে বেক্সিমকো বাংলাদেশ সরকারের কাছে শর্ত রাখে এজেন্ট ফি হিসেবে ১ ডলার নিতে। কিন্তু এর জন্য বাংলাদেশ সরকার শর্ত দেয় এই প্রতিটি টিকার জন্য কোম্পানিটিকে ১ ডলার দেয়া হবে। তবে বিমানবন্দর থেকে জেলা পর্যন্ত ২ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার কোল্ড চেইন কোম্পানিটিকেই ব্যবস্থা করে দিতে হবে। এছাড়াও কোন ভাঙ্গা বা খালি বোতল বা ৩ কোটি ডোজের একটিও কম হতে পারবে না।

পাপন জানান, এই চুক্তিতে বেক্সিমকোর কোন লাভ নেই। তবুও তারা এ কাজটি করছেন। তবে আগামী ৬ মাসের মধ্যে জনসন ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক নভোভ্যাক্স নামের কোম্পানি সিঙ্গেল ডোজ করোনার টিকা আনছে। যা সুযোগ পেলে দেশেই উৎপাদন করবে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

এছাড়া বেসরকারিভাবে আমদানি করা ভ্যাকসিন বাইরে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল হাসান পাপন। আজ রোববার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় গুলশানে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।

পাপন বলেন, ‘দেশের ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির জন্য আমরা কিছু ভ্যাকসিন এনেছি। ওষুধ শিল্প সমিতির মাধ্যমে সেটা আমরা চেয়েছি। ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির জন্য আমরা ১০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন আনছি।

এই ভ্যাকসিন বাইরে পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন যেটা আসছে সেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিকে দেওয়ার পর যদি কিছু থাকে, তাহলে আমরা দুই-একটা কোম্পানিকে দিতে পারি। ওষুধ কোম্পানিগুলোর সব কর্মচারী এবং তাদের পরিবার পাবে। সুতরাং এক্ষেত্রে ১০ লাখ ডোজও অনেক কম।

এই বিভাগের আরো খবর

বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উদযাপিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ...

বিস্তারিত
সরকার মিথ্যা ইতিহাস চাপিয়ে দিচ্ছে: ফখরুল

নিজস্ব সংবাদদাতা: ব্যক্তিস্বার্থে,...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *