গৃহহীনদের ঘর প্রদান কর্মসূচি : দেশজুড়ে প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ০৫:৫৩, ২১ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ০৮:৩১, ২১ জানুয়ারি ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা অনুযায়ী সরকারের আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের আওতায় প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হবে। আগামী ২৩ জানুয়ারি শনিবার বিশ্বে এই প্রথমবারের মতো একসাথে ৬৬ হাজার ১৮৯টি ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবারের প্রত্যেককে ২ শতাংশ খাস জমির মালিকানা দিয়ে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ঘর দেয়া হবে। এ উপলক্ষে দেশজুড়ে চলছে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি। 

বুধবার (২০ জানুয়ারি) নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মুড়াপাড়া গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীনদের জন্য নির্মাণ করা ঘর পরিদর্শন করেন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন। এসময় তিনি জানান, জাতির পিতার ডাকে দেশের আপামর জনসাধারণ মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলো। এখন তাঁর সুযোগ্য কন্যার নির্দেশে সরকার দেশকে ভূমিহীন, গৃহহীনমুক্ত করতে কাজ করছে। দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে সবাইকেই ঘর দেয়া হচ্ছে। 

No description available.

আশ্রয়ন প্রকল্প থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে আশ্রয়ন নামে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়। যা প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সাল থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ৩ লক্ষ ২০ হাজার ৫২টি ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। 

আশ্রয়ণ প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো, ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্ন অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠির পুনর্বাসন, ঋণ প্রদান ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা। আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরন।

ক্ষুধামুক্ত-দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মানে মুজিববর্ষে ‘বাংলাদেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশের সকল ভুমিহীন ও গৃহহীন মানুষের বাসস্থান নিশ্চিতকল্পে ‘মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে দেশের সকল ভুমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য গৃহ প্রদান নীতিমালা২০২০’ প্রনয়ন করা হয়েছে। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২০ সালের জুনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন ৮ লক্ষ ৮৫ হাজার ৬২২ টি পরিবারের তালিকা করা হয়েছে। 

প্রথম ধাপে ৬৬ হাজার ১৮৯টি পরিবারকে ঘর প্রদান করার পর, ২১টি জেলার ৩৬টি উপজেলার ৪৪টি প্রকল্প গ্রামে ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণের মাধ্যমে ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন করা হবে। 


 

এই বিভাগের আরো খবর

টিকা নেয়ার সংখ্যা ছাড়ালো ৩৬ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে করোনার টিকা...

বিস্তারিত
দেশে প্রথমবার হলো ভার্চুয়াল অস্ত্রোপচার

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশে প্রথমবারের মত...

বিস্তারিত
বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম সংবাদদাতা: দেশের উন্নয়ন...

বিস্তারিত
সেরা তিন নারী নেতার একজন শেখ হাসিনা

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনা অতিমারিতে...

বিস্তারিত
‘ভাসানচর পুরোপুরি বসবাসযোগ্য’

নিজস্ব প্রতিবেদক: নতুন দ্বীপ...

বিস্তারিত
বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ

দিনাজপুর সংবাদদাতা: চার দফা দাবিতে...

বিস্তারিত
বিমানের বহরে যুক্ত হলো ‘শ্বেতবলাকা’

নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ ও কানাডা...

বিস্তারিত
‘আন্দোলন ঠেকাতে নানা কৌশল করছে সরকার’

নিজস্ব প্রতিবেদক : আন্দোলন ঠেকাতে...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *