তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় কমেছে সেচসুবিধা, উৎপাদন অর্ধেকে

প্রকাশিত: ১০:৫৯, ০৮ জানুয়ারি ২০২১

আপডেট: ১১:১১, ০৮ জানুয়ারি ২০২১

শাহনাজ ইয়াসমিন: শুষ্ক মৌসুমে তিস্তার পানি শুকিয়ে যাওয়ার কারনে তিস্তা ব্যারেজ এলাকায় ফসল উৎপাদন কমে অর্ধেকে নেমে গেছে। ব্যারেজ প্রকল্পের ৭৪০ কিলোমিটার এলাকায় আগে সেচযোগ্য জমি ছিলো ৮৪ হাজার হেক্টর। এখন সেটা নেমেছে ৫০ হাজার হেক্টরে। ফলে এ অঞ্চলে বছরে এক লাখ মেট্রিক টন ধান কম উৎপাদন হয়। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের জন্য নতুন বাঁধ নির্মাণ করছে পানিসম্পদ মন্ত্রনালয়। 

দেশের উত্তরাঞ্চলে সবচেয়ে বড় সেচ প্রকল্প ’ তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের মাধ্যমে নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ১২টি উপজেলায় সেচ সুবিধা দেয়া হয়। মূল পরিকল্পনা অনুসারে তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্পের আবাদি জমি ৭ লাখ ৫০ হাজার হেক্টর হলেও এখানকার সেচযোগ্য এলাকা হলো ৫ লাখ ৪০ হাজার । কিন্তু, গেল কয়েক বছর বর্ষা মৌসুমে তিস্তার পানি বেড়ে যাওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে কমে যাওয়ার কারনে এসব এলাকার ফসল উৎপাদন  কমে যাচ্ছে।

পনিসম্পদ মন্ত্রনালয় সূত্রে জানা যায়, তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প এলাকায় বর্তমানে মাত্র ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচের পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। আগে যেখানে সেচযোগ্য জমি ছিলো প্রায় ৮৪ হাজার হেক্টর। তাই, বন্যা নিয়ন্ত্রনের জন্য বাঁধ নির্মান করতে নতুন প্রকল্প শুরু করেছে মন্ত্রনালয়। নতুন সেচযোগ্য এলাকা বাড়ানো হয়েছে প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে, এখানকার আবাদি জমির পরিমান বাড়বে। 

এক হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তিন বছরে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এটি হলে প্রতি বছর অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ মেট্রিক টন ধান এবং প্রায় সাড়ে পাঁচশো মেট্রিক টন খাদ্যশষ্য বেশী উৎপাদন হবে।

সমীক্ষার কাজ শেষে প্রকল্পের কাজ শুরু হবে এ বছরের মার্চ মাস থেকে। এর সুবিধা ভোগ করবে এলকার ৩০ লাখ মানুষ। 


 

এই বিভাগের আরো খবর

৬০ পৌরসভা নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ, চলছে গণনা

ডেস্ক প্রতিবেদন : দ্বিতীয় ধাপে দেশের...

বিস্তারিত
পৌর নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ বিএনপির

নিজস্ব প্রতিবেদক: পৌর নির্বাচনে...

বিস্তারিত
দ্বিতীয় পর্বের পৌরসভা নির্বাচনের প্রচারণা শেষ

নিজস্ব প্রতিবেদক : দ্বিতীয় ধাপে দেশের...

বিস্তারিত

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

মন্তব্য প্রকাশ করুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না. প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রগুলি চিহ্নিত করা আছে *