ঢাকা, বুধবার, ১৭ জানুয়ারী ২০১৮, ৪ মাঘ ১৪২৪, ২৯ রবিউস সানি ১৪৩৯
শিরোনামঃ
বরেণ্য সংগীতশিল্পী শাম্মী আক্তার আর  নেই রাজধানীর বাসাবাড়িতে তীব্র গ্যাস সংকট গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় বাংলাদেশ : প্রণব আট ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সমাপ্ত হবে দুই বছরের মধ্যে মেয়র পদে তাবিথই ২০ দলীয় জোটের প্রার্থীঃ রিজভী খালেদা আগামী প্রধানমন্ত্রীঃ মওদুদ অনুপ্রবেশ নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের কড়া হুঁশিয়ারি এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ কলম্বিয়ায় সেতু ধসে নিহত ৯ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় আইনি বাধা নেই বাল্যবিয়ে আজও দেশের বড় সামাজিক সমস্যা নিরোধ আইন করেও বন্ধ হয়নি বাল্যবিয়ের চর্চা ২০৩০ সালের মধ্যে বাল্যবিয়ে অর্ধেকে নামানোর ঘোষণা সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের জন্য বাল্যবিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ চাঁদপুরে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ বিয়ের গসিপে বিরক্ত সোনাম কাপুর

প্রযুক্তির পথ ধরে এগিয়ে চলেছে মুদ্রণশিল্প

প্রকাশিত: ০৪:৩৪ , ২০ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৪:৩৪ , ২০ জুলাই ২০১৭

বিশেষ প্রতিবেদন: চিনে ১২২১ সালে কাঠের টাইপ সাজিয়ে ছাপার যে-সংস্কৃতি শুরু হয়, সেটা ছিলো হাতে চালিত একটি আয়োজন। তারও দুশ বছর পর জার্মানির জোহান গুটেনবার্গের হাত ধরে বিশ্বে আধুনিক মুদ্রণশিল্পের যাত্রা শুরু। সেইসময় থেকে কয়েকশ বছর পেরিয়ে বর্তমান ডিজিটাল প্রযুক্তির বিশ্বে মুদ্রণশিল্প যে-জায়গায় এসে পৌঁছেছে, তাকে আধুনিকতার নবরূপ হিসেবে দেখেন এ শিল্পের পর্যবেক্ষকরা।

এ বিষয়ে বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী হাশেম খান বলেন, গুটেনবার্গ ১৯১৪ সালে যে-মুদ্রণযন্ত্রের আবিষ্কার করেছিলেন, সে-পদ্ধতিই আজ পর্যন্ত চলছে। তবে, প্রযুক্তি আমাদের মুদ্রণশিল্পকে অনেকটা এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

অপরিকল্পিতভাবেই ভারতবর্ষে প্রথম প্রবেশ করেছিল মুদ্রণযন্ত্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান সুধাংশু শেখর রায় এ বিষয়ে জানান, ১৫৫৬ সালে পতুর্গিজরা আবিসিনা যাওয়ার পথে মুদ্রণযন্ত্রটি ভারতবর্ষে রেখে যায়।

বাংলা অক্ষরে ছাপার যাত্রা শুরু হয় ১৮৪৭ সালে রংপুর থেকে। 'রঙ্গপুর বার্তাবহ' নামে একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশের জন্য তখন কুণ্ডী পরগণার জমিদার কালিপদ রায় সেই ছাপাখানা স্থাপন করেন।

রংপুর বার্তার ছাপাখানা স্থাপনের পরপরই ঢাকায় এক ব্রিটিশ নাগরিকের হাত ধরে ’ঢাকা প্রেস’ নামে মুদ্রণযন্ত্র স্থাপন করা হয়। সেখানে থেকে ‘ঢাকা নিউজ’ নামে একটি ইংরেজি পত্রিকা ছাপা হতো। তবে বাংলা ছাপার জন্য ঢাকায় প্রথম মুদ্রণযন্ত্র স্থাপিত হয়েছিল ১৮৬০ সালে। ১৮৮২ সালে সেখাস থেকে ছাপা হয় দীনবন্ধু মিত্র রচিত সেকালের আলোড়ন সৃষ্টিকারী নাটক 'নীলদর্পণ'।

এর মধ্য দিয়েই পূর্ববঙ্গ তথা বাংলাদেশে সৃজনশীল বাংলা সাহিত্য মুদ্রণের যাত্রা শুরু হয়। সেসময় তৎকালীন পূর্ব বাংলায় মুদ্রণশিল্পের একটা চমৎকার বিকাশ ঘটেছিলো। এর মাধ্যমেই আমাদের সাহিত্যের প্রচার এবং প্রসার শুরু হয়েছিল বলে জানান পর্যবেক্ষকরা।

১৯৮০ দশক থেকে আধুনিক অফসেট পদ্ধতিতে ছাপা শুরু হয়। তবে কম্পিউটারের প্রবর্তন গত দু-তিন দশকে মুদ্রণশিল্পের অতীতের সকল আয়োজনকে বিলুপ্ত করে দিয়েছে।
 

এই বিভাগের আরো খবর

নিরাপত্তার জন্য সংসদ ভবন পরিদর্শনের সুযোগ কম সাধারণ মানুষের

নিজস্ব প্রতিবেদক : দূর থেকে দেখে অভিভূত হওয়া ছাড়া জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরে গিয়ে দেখবার সুযোগ সাধারণের জন্য নেই বললেই চলে। অধিবেশন চলার সময়...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is