ঢাকা, শুক্রবার, ২২ মার্চ ২০১৯, ৮ চৈত্র ১৪২৫

2019-03-22

, ১৫ রজব ১৪৪০

কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত: ০৮:০৮ , ১৯ জুলাই ২০১৭ আপডেট: ০৮:০৮ , ১৯ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক: জনপ্রিয় কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। কথার যাদু নিয়ে হুমায়ূন যেমন পাঠকের দুয়ারে গিয়েছেন আবার পাঠককেও টেনে এনেছেন সাহিত্যের দুয়ারে। আর সব মিলেই তিনি স্মরণীয়, বললেন বিশিষ্ট লেখক সেলিনা হোসেন। 

শুধু কথা সাহিত্যই নয়, হুমায়ূন আহমেদ ক্রিয়াশীল ছিলেন সৃজনের অনেক শাখায়। উপন্যাসের পাশাপাশি নাটক ও চলচ্চিত্র নির্মাণেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছিলেন। সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ভাষায়, হুমায়ূন আহমেদ স্বকীয় ও উজ্জ্বল এক ব্যক্তিত্ব। 

হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাভাষার অন্যতম জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক। তাঁর ভাষা আর বর্ণণার যাদু আর চরিত্র নির্মাণের দক্ষতায় পাঠকের মোহাবিষ্ট হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। উপন্যাস বা গল্প, মাধ্যম যাই হোক না কেন, পড়তে শুরু করলে থামা দায়। 

জনপ্রিয় এই লেখক তৈরী করেছেন অনেক নতুন পাঠকও। যারা সাহিত্যের প্রথমপাঠ নিয়েছেন হুমায়ূনের হাত ধরেই। সব মিলিয়েই তিনি গুরুত্বপূর্ণ। বরেণ্য কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন বললেন, বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের অবদান স্মরণীয় হয়েই থাকবে। 

 সেলিনা হোসেন বলেন,“ হুমায়ূনের সাহিত্য ও সাহিত্যের বাইরে তাঁর নাটক, চলচিএ সব মিলিয়ে যে অবদান, সেটাকে স্মরণ করতেই হবে।”

শুধু কথাসাহিত্যই নয়, হুমায়ূন আহমেদ বিচরণ করেছেন সৃজনশীলতার বিচিত্র মাত্রায়। নাটক কিংবা চলচ্চিত্রেও সাফল্য ছিলো তাঁর সহযাত্রী। তিনি যেন উপকথার সেই পরশপাথর, যেখানেই হাত দিয়েছেন, সোনা ফলেছে। ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নিত্যদিনকার সাধারণ ঘটনাকে উপজীব্য করে অসংখ্য নাটক তিনি উপহার দিয়েছেন। জয় করেছেন দর্শকহৃদয়। 

‘আগুনের পরশমণি’ তাঁর র্নিমিত প্রথম চলচ্চিত্র। আর তা দেখতে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ঢল নেমেছিলো। একাধিক জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছে এই চলচ্চিত্রটি। হুমায়ূনের সৃজনযাত্রার সহযাত্রীরা বলছেন, তাঁর নির্মাণের বড় গুণ হলো তিনি মানুষের মর্ম স্পর্শ করতে পারতেন। 

সংস্কৃতি মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেন, “প্রতিদিনের জীবনের গল্প তিনি নিয়ে এলেন, প্রতিদিনের ঘটনাগুলো তিনি তুলে নিয়ে এলেন। কিন্ত সেই তুলে নিযে আসার মধ্যে এত শিল্ণসুষমা, এত মুন্সিয়ানা ছিলো, যেটি এর আগে আমরা কখনও দেখিনি।”

বর্ণাঢ্য সৃজনশীল জীবনে হুমায়ূন আহমেদ পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার, ভূষিত হয়েছেন বিবিধ সম্মাননায়। তবে তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিলো পাঠক ও দর্শকদের ভালোবাসা। আমৃত্যু সৃজনে জড়িয়ে থাকা এই মানুষটি ২০১২ সালের এই দিনে কোটি ভক্তকে কাঁদিয়ে চলে যান না ফেরার দেশে।

এই বিভাগের আরো খবর

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সাত সদস্যের কমিটি করেছে...

বর্ণিল দোলযাত্রায় আনন্দ উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাহারি রংয়ের আবির, আনন্দ-উচ্ছাস আর গানে উদ্যাপিত হলো বর্নিল দোল উৎসব। প্রতি বছরের ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন...

0 মন্তব্য

আপনার মতামত প্রকাশ করুন

Message is required.
Name is required.
Email is