সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি: ত্রাণ অপ্রতুল আপডেট: ০৪:০৪, ১৭ জুলাই ২০১৭

ডেস্ক প্রতিবেদন: ভারতের বরাক অববাহিকায় বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলে আবারও বেড়েছে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি। ফলে সিলেটের বিয়ানীবাজার, জকিগঞ্জ, গোলাপগঞ্জ, বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি হয়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ করা হলেও, তা প্রয়োজনের তুলনায় কম বলছেন ভুক্তভোগীরা।

তবে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে মধ্যাঞ্চলীয় এলাকাগুলোতে। মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুরে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রাম ও দৌলতদিয়া ইউনিয়নে পানিবন্দী হয়ে আছে কয়েকটি গ্রামের দুশতাধিক পরিবার। মানিকগঞ্জের শিবালয়, দৌলতপুর ও ঘিওর উপজেলায় নদী ভাঙ্গনে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিতে হয়েছে  অনেককে।

এদিকে, যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীর পানি কমতে শুরু করলেও তীব্র হয়েছে নদীভাঙন। গাইবান্ধার কামারজানিতে ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে বিলীন হয়েছে ৬০০ ঘরবাড়ি। ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে এসব এলাকার মানুষ। তবে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের কাজ চলছে বলে জানালেন গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক গৌতম চন্দ্র পাল।

পানি কমতে শুরু করায় টাঙ্গাইলেও বেড়েছে নদীভাঙন। জেলার সদর, দেলদুয়ার, নাগরপুর, কালিহাতী ও গোপালপুরে বেশ কয়েকটি গ্রাম পড়েছে নদী ভাঙনের কবলে। তবে তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি কমায় উন্নতি হয়েছে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বন্যা পরিস্থিতির।

আরো পড়ুন:

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি সিলেটে ও মধ্যাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে